কামাল আহমেদ’র একক সঙ্গীত সন্ধ্যা ‘বর্ষার ভালোবাসা’

স্টাফ রিপোর্টার :: দিনটি ছিল ১৪২৬ বাংলা সনের আষাঢ়মাখা বর্ষার প্রথম দিন ১৫ জুন। সময় ছিল সন্ধ্যা। জায়গাটি ছিল বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তন। রবীন্দ্রনাথের বর্ষা ও প্রেমের গান নিয়ে অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল “বর্ষার ভালোবাসা”। আয়োজক ছিল ভারতীয় দূতাবাস, ঢাকার ইন্দিরাগান্ধি কালচারাল সেন্টার। অনুষ্ঠানের শিল্পী ছিলেন একজন আর তিনি হলেন কামাল আহমেদ। যিনি একজন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী এবং বাংলাদেশ বেতার, ঢাকার পরিচালক (অনুষ্ঠান)।

আমাদের বর্ষা ও ভালোবাসার বড়ো ভরসা যে রবীন্দ্রনাথের গান শিল্পী কামাল আহমেদ যেন আবারও দিলেন তার প্রমাণ। একটি আষাঢ়সন্ধ্যাকে স্মরণীয় এবং বরণীয় করে তুললেন তিনি তাঁর আন্তরিক উপস্থাপনায়। মূল অনুষ্ঠানের শুরুতেই খুবই ছোট্টো করে বড়ো কথাটি বলেন ভারতীয় দূতাবাস, ঢাকার ইন্দিরাগান্ধি কালচারাল সেন্টারের সম্মানিত পরিচালক ড. নীপা চৌধুরী।

তারপরই শুরু হয়ে যায় গান। আর প্রতিটি গানের আগে শিল্পী কামাল আহমেদের গান প্রাসঙ্গিক উদ্বৃতি ছুঁয়ে যায় দর্শক শ্রোতার প্রাণ। যা অনুষ্ঠানেও যোগ করে আলাদা মাত্রা এবং এতে আমাদের শোনার কানও পায় প্রশান্তির পরশ, পায় রবীন্দ্র সঙ্গীতের স্নিগ্ধতামাখা মুগ্ধতা। কামাল আহমেদ একে একে চৌদ্দটি গান পরিবেশন করেন। যেখানে বর্ষা ও ভালোবাসা আমাদেরকে শুনিয়েছে রবীন্দ্রনাথের সুরেলা ভাষা এবং মিটিয়েছে মনের আশা।

আরো আশার কথা এই যে, মিলনায়তন ভর্তি ছিল দর্শক, ছিলেন গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ। অনেকেই আসন সংকটে দাঁড়িয়ে শুনেছেন গান। শিল্পীর গাওয়া প্রথম গানটি ছিল “আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে” এবং শেষ গানটি ছিল “ভরা থাক স্মৃতিসুধায় বিদায়ের পাত্রখানি”।

এভাবেই বিদায়ের পাত্রখানি স্মৃতিসুধায় ভরে দিয়েছেন তিনি। সবগুলো গানই যেন প্রাণ পেয়েছে শিল্পীর স্বকীয়তা আর গায়কীতে। সম্পূর্ণ পরিবেশটি ছিল গীতিময় এবং মধুময় সুন্দর আর পরিবেশনা ছিল মনে রাখার মতোই বিশেষ এবং মধুর। রবীন্দ্র সঙ্গীতের যন্ত্র সঙ্গীতও যে কত পরিমিত সুন্দর হতে পারে, তারই প্রমাণ দিয়েছে “বর্ষার ভালোবাসা” নামের এই একক সঙ্গীতানুষ্ঠান।

সংগীত সন্ধ্যায় শিল্পী কামাল আহমেদ বিভিন্ন রাগে ১৪ টি গান পরিবেশন করেন।

 

 

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here