কানেকটিকাটে সঙ্গীত একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাবাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক থেকে: প্রতি বছরের মতো এবারো যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে সঙ্গীত একাডেমি আয়োজন করেছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।গত ৬ এপ্রিল শনিবার ম্যানচেস্টারের কমিউনিটি ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে অনুষ্ঠিত হয় প্রবাসে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ছেলেমেয়ে ও সঙ্গীত একাডেমির শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

বিকেল ৫টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আলোচনা, কবিতা আবৃত্তিসহ সঙ্গীত একাডেমির শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দেখে মুগ্ধ হয়ে উঠেন উপস্থিত দর্শকশ্রোতারা।

সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক কৌশলী ইমা’র পরিচালনায় এবং ফারহানা রশিদ লুনা ও সিলভিয়া কুহু রিবেরু’র যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন নিউ ইয়র্ক প্রবাসী জনপ্রিয় লোকগানের শিল্পী মিলন কুমার রায়, কৌশলী ইমা,রশিদা আখন্দ লাকী ও মার্ক হাওলাদার রনি। কবিতা আবৃত্তি করেন প্রবাসের জনপ্রিয় আবৃত্তিকার গোপন সাহা।

এছাড়া সঙ্গীত একাডেমির শিক্ষার্থীরা একক ও সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে শ্রোতাদের মাতিয়ে তোলেন। এরা হলেন সুমাইয়াহ সুখ, তাসমিহা আমীর, বর্ষা সরকার, অনিন্দিতা চক্রবর্তী, ব্রিয়ানা বিশ্বাস, মার্সিয়া আহসান মিশু, ফিহা আমির অরোরা,অ্যানিশা বৈরাগী,আরিয়ানা বৈরাগী, উপমা সরকার, গুঞ্জন সরকার, রিয়া হোসেন, ও আনুস্কা রহমান।

কানেকটিকাটে সঙ্গীত একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

নৃত্য পরিবেশন করেন অনিন্দিতা চক্রবর্তী। শিল্পীদের তবলায় সঙ্গত করেন প্রবাসের জনপ্রিয় তবলাবাদক খুশবু আলম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একাডেমির শিক্ষার্থী ও অতিথি শিল্পীদের হাতে সম্মাননা পুরুস্কার তুলে দেন ম্যানচেস্টার প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ।

কানেকটিকাটের সঙ্গীত একাডেমি গত ১২ বছর ধরে বাঙালির নিজস্ব সর্বজনীন প্রাণের উৎসবসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের শতচেষ্টা আর কঠোর পরিশ্রমে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বাংলা ভাষা ও বাংলা গান শেখাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট সঙ্গীত একাডেমি।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্যে কৌশলী ইমা বলেন, সঙ্গীত একাডেমির শিক্ষার্থীরা সকলেই প্রবাসে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ছেলেমেয়ে। তারা বাংলায় প্রশ্ন করলে ইংরেজিতে উত্তর দেয়। এসব ছেলেমেয়েরা সঙ্গীত একাডেমির মাধ্যমে বাংলাভাষা ও গান শিখেছে খুব নিঁখুতভাবে। তাদের গান পরিবেশনা দেখে অভিভাবকসহ উপস্থিত দর্শকশ্রোতারা সবাই মুগ্ধ বলে উল্লেখ করেন তিনি। বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে ছেলেমেয়েদের সম্পৃক্ত রাখার জন্য এ প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here