ডেস্ক নিউজ :: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহামারির এ সময়ে সার্স থেকে শুরু করে করোনা চিকিৎসায় এটি হবে একটি নতুন সম্ভাবনা। বিভিন্ন দেশে এ ওষুধ ব্যবহারে যেসব ডাক্তার জড়িত, তারা বলছেন, ‘ইভারমেকটিন’ প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গেই রোগীর জীবাণু সংক্রমণ কমতে শুরু করে। এটি এখনও করোনা চিকিৎসায় অনুমোদিত না হলেও ডাক্তাররা বলছেন, ফলাফল ‘নাটকীয়’। এমনকি বাংলাদেশেও করোনা চিকিৎসায় এ ওষুধ ব্যবহারে সাফল্য পাওয়া গেছে। পরজীবী-বাহিত সংক্রামক চিকিৎসায় এ ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক অনুমোদিত।

যুক্তরাষ্ট্রের পাম বিচ কাউন্টিতে জরুরি মেডিক্যাল চিকিৎসক ডা. পেটার এইচ হিবার্ড গত শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমরা আশাবাদী করোনা চিকিৎসায় এ ওষুধের দারুণ সম্ভাবনা আছে। আশা করছি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কভিড-১৯ চিকিৎসায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পাবে।

তিনি জানান, অনেক দেশেই এটি চিকিৎসকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। বলেন, মৃত্যুশয্যায় থাকা রোগীকেও এটি সুস্থ করে তুলতে পারে।

তিনি আরও জানান, পরজীবীনাশক এ ওষুধ রোগীদের প্রথমে মুখে এক ডোজ দেওয়া হয়। তার সাতদিন পর আরেক ডোজ দেওয়া হয়।

অ্যান্টিভাইরাল রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়ার ডাক্তাররা জানান, টেস্টটিউবে দেখা গেছে, এ ওষুধ জীবাণুকে সমূলে ধ্বংস করে দেয়। গত সপ্তাহে জ্যঁ-জ্যাক রাজটের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাউর্ড হেলথ মেডিক্যাল সেন্টারের একদল চিকিৎসক ইভারমেকটিনের ওপর একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন। তাতে তারা বলেছেন, ২৫০ জন করোনা রোগীর ওপর পরীক্ষা করে নাটকীয় ফলাফল আমরা পেয়েছি। রোগীরা সুস্থ হতে শুরু করে এ ওষুধ প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গেই। এতে মৃত্যুশয্যায় থাকা রোগী ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল হয়েছে এবং এক সপ্তাহ পর হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here