ব্রেকিং নিউজ

করোনাভাইরাস নিয়ে ফেসবুকে আপনার লেখা (৩০ মার্চ)

ডেস্ক নিউজ :: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আধুনিক জীবনে এক নতুন বাস্তবতা। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তি তথ্য, মতামত, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি আদান-প্রদান করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করছেন। ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্তমানে মানুষের জীবনে ব্যাপক প্রভাব রেখে চলেছে। বর্তমানে অনেকেই ঘরে বসে করোনাভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার মতামত তুলে ধরছেন। ইউনাইটেড নিউজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন জনের মতামতগুলো সংগ্রহ করে হুবহু তুলো ধরছে-

 

ইশরাত মৌরি- ৪ তারিখ পর্যন্ত লকডাউন কাজ হবে না । মাত্র ১০ দিন সময় । পুরো পরিস্থিতি বুঝতে মোটামুটি দরকার আরও ১০ দিন মানে মোট ২০ দিন ।তাই ছুটি ঘোষনা কিংবা বাড়ানোর সময় এখনি বলে মনে করি । আশা করি উর্ধতন কর্মকর্তা রা ব্যপারটা আরও ভালো করে বুঝবেন । ঢাকায় ৩ দিন যাবত যেভাবে মানুষ বের হচ্ছে দেখে মনে হয় ঈদের ছুটি ।

বিদ্যুৎ দাস- কালো টাকাকে সাদা করার এটাই সুবর্ন সুযোগ,যা মানব সেবায় ব্যয় হবে।দরিদ্র মানুষের দৈনন্দিন অভাব দূর হবে।

অনুপম দেব কানুনজ্ঞ- বাড়ির পাশে কোয়ারান্টিন ক্যাম্প বানাতে দিবেন না, করোনার চিকিৎসায় হাসপাতাল বানাতে দিবেন না, বিদেশ থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরতে দিবেন না, বাসায় থাকতে দিবেন না, এমনকি মারা গেলে দাফনও করতে দিবেন না।

এদিকে জার্মানিতে বসে দেখি সরকার বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া প্রায় দুই লাখ জার্মানকে দেশে ফেরাতে ৫০ মিলিয়ন ইউরোর ফান্ড ঘোষণা করে। নিজেদের দেশে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত, চার শতাধিক মানুষ মারা গেছে। কিন্তু তবুও ফ্রান্স এবং ইটালি থেকে সামরিক বিমানে রোগী নিয়ে এসে জার্মানিতে চিকিৎসা দিচ্ছে।

আমার শহর বনেও তো ইটালি থেকে করোনার ক্রিটিক্যাল রোগী এনে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, হইচই তো শুনলাম না। বরং বেশিরভাগ মানুষ স্বাগত জানিয়ে বলছে, ‘এটাই আমাদের স্পিরিট, আমরা নিজেরাও বাঁচতে চাই, অন্যদেরও বাঁচাতে চাই।’

একটা ভাইরাস আমাদের কিছু লোককে মেরে ফেলছে, যাদের জীবিত রাখছে তাদের অনেকেরও চেহারা চেনাচ্ছে। নিজে ভালো থাকলে মানবতা তুলনামূলক সহজ, নিজের দুর্দিনে মানবতা দেখানো খুব কঠিন। অন্যদের প্রতি দরকার নেই, এই দুর্দিনে অন্তত নিজের মানুষদের প্রতি তো একটু ভালোবাসা দেখান। ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে…’ গানটা শিখে রেখেছি। এই গান মুখস্ত গাইলেই দেশপ্রেম হয়ে যাবে। আর কিছু লাগবে না আশা করি।

আরিফুল ইসলাম- আমাদের পুরো বাড়ির ভাড়া মওকুফ করেছেন আম্মা। দেখলাম, ভাড়াটিয়াদের থেকেও আম্মা বেশি খুশি। “আমার মা”

ইশরাত শর্মী- ঘরে থাকুন, ঘরে থাকুন, ঘরে থাকুন। (২ দিন করোনা আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়নি বলে মানুষ কি ধরেই নিয়েছে আক্রান্ত হার কমে গিয়েছে? এভাবে সবাই ঘর থেকে বের হওয়া শুরু করলে এর ফল কখনোই ভালো হবে না। ভালো থাকতে হলে আরও ৭-১০ দিন ঘরে থাকতেই হবে।রাস্তায় কে আক্রান্ত আপনি তো জানেন না। সবার একই রকম রোগ লক্ষণ নাও থাকতে পারে।)

-চিকিৎসকদের কাছে কোনও তথ্য গোপন করা থেকে বিরত থাকুন।

-আপনার ভুল তথ্যের কারণে যদি সেই চিকিৎসক আক্রান্ত হয়, তাহলে সেখানে কর্মরত সবাইকে সে রোগ ছড়াতে থাকবে অজান্তে,এমনকি এরপর রোগী হিসাবে যারাই আসবে ওনার কাছে তারাই আক্রান্ত হবে এবং এভাবে মাত্র ৭ দিন চললে আগামী কিছুদিন পর কত লাখ মানুষ অজান্তে আক্রান্ত হবে কোভিড-১৯ দ্বারা তা ভেবে দেখেছেন কি?

-চিকিৎসকরা আপনার এবং দেশের ভালর জন্যই ঘরে বসে চিকিৎসা নেয়ার কথা বলছে। হাসপাতাল থেকে আপনাকে ফিরিয়ে দিচ্ছে শুধুমাত্র আপনার আমার স্বার্থে, দেশের স্বার্থে।

সাজেদা হক- বাংলাদেশে গণমাধ্যমের নতুন অধ্যায় শুরু। আর কেউ ভূইফোঁড় থাকবে না। অনলাইনই এখন মূলধারা।

নূর কামরুন নাহার- ঘরে থাকুন, বই পড়ুন, ভালো কাজে অংশ নিন।বাংলাদেশে গত ৭২ ঘন্টায় একজন রোগী। এই সংবাদে খুশি হয়ে মনের আনন্দে রাস্তায় নেমে আসবেন না । রোগী যাই সনাক্ত হোক এখন ঘরে থাকতে হবে। যে কোনো সময় পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে। সমগ্র পৃথিবীর চিত্র ভিন্ন। ওখানে এখনো করোনাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। নিউইর্য়কে ২১ বাংলাদেশি মারা গেছেন। খুবই কষ্টের সংবাদ। মন ভেঙ্গে যায়। তাই আমাদের সকল স্বজন, বন্ধু , প্রতিবেশী. দেশবাসী সর্বোপরি নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে নিরাপদ রাখতে ঘরে থাকুন। আমাদের খুব ব্যস্ত থাকতে হতো, পরিবারকে সময় দেয়া যেত না। মন চাইলেও অনেক ভালো বই পড়া, ভালো সিনেমা দেখার সুযোগ হতো না। এখন বই পড়তে পারেন, সিনেমা দেখতে পারেন। আপনার পাশে যে দুর্দশাগ্রস্ত আছে, যার বাসায় খাবার নেই। তার জন্য ভাবতে পারেন। আপনার সার্মথ্য অনুযায়ি যাই পারেন তাকে দিতে পারেন। দেখবেন মন কত ভালো থাকে। ঘরে থাকুন, বই পড়ুন, ভালো কাজ করুন। সামাজিক দায়িত্ব পালন করুন।

আল-মামুন- খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ৮’শ ১৫ পরিবারের মাঝে পৌর মেয়র রফিকুল আলম এর পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি সহায়তা পাওয়ার আগেই যাদের সহযোগিতায় সাধারন মানুষ পেল কিছুটা হলেও বেঁচে থাকার অবলম্বন। কৃতজ্ঞতা মানবতাপ্রেমী দিদারুল আলম দিদার,শওকত উল ইসলাম,ঠিকাদার সেলিম সাহেব,আবুল কাশেম চেয়ারম্যানসহ সকল সহযোগিদের আন্তরিক ধন্যবাদ সাধারন মানুষের পাশে দাঁঁড়ানোর জন্য।

মজিবুর রহমান-একটা পিপিই র দাম কত? ১৫০০ থেকে ৬০০০ হাজার টাকা। যাদের সত্যি প্রয়োজন তারা কি কিনে নিতে পারেন না? বেশী কিছু লিখলে অনেক আবার মাইন্ড করতে পারেন। মাএ ৬৪ জন লোক নিজ দায়িত্বে প্রতি জেলার জন্য কিনে ফেলতে পারেন। আপাততঃ ২০০ সেট করে কিনলে দশ লাখ টাকায় হয়ে যাবে। (প্রতি জেলায়).
এই টাকা সংগ্রহ করা কঠিন হবে বলে আমি মনে করি না। বিষয়টি ভেবে দেখতে অনুরোধ করছি।

রাকিব হাসান- প্রনঘাতী করোনার প্রভাবে বেকার হয়ে পরা কিছু অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো ক্ষুদ্র প্রয়াসের প্রথম ধাপ। সকলের সহযোগীতা পেলে এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে.

শাহনাজ চৈতী- অনলাইনে বেচনেওয়ালিদের কমন সেন্স নিয়ে আমার প্রশ্ন?এই দুর্দশার দিনেও আর উনারা আছেন চুরি, ফিতা, কসমেটিক্স,শাড়ি, গয়না, থ্রি পোজ বেচা নিয়ে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই,একটু উন্নতমানের চিনন সিল্কের কাফনের কাফনের মিলবে কি?

ফয়সাল মাহমুদ- মরণব্যাধি কারোনাভাইরাসে পুরো দেশ স্থবির হলেও স্থবির হয়নি অবৈধ ট্রলি চলাচল। নোভেল করোনা ভাইরাসের কারনে সারাদেশের সকল কিছু বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার, সবাই সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সকল কিছু বন্ধ রাখলেও বন্ধ রাখেনি অবৈধ ট্রলি চলাচল ,সরকারের আইন অমান্য করেই চলছে গ্রামীণ সড়কে প্রতিদিন মরণব্যাধি ট্রলি ।

দিঘলী ও মান্দারীর কিছু ইটভাটার মাটির চাহিদা মিটাতে ব্যাপকহারে দানব চাকার অবৈধ ট্রলি চলাচলে ধংস হচ্ছে কৃষি ফসল’ গ্রামীণ পরিবেশ ও নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়কগুলো। জলাঞ্জলিতে যাচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন। কেটে নিচ্ছে জমির টপসয়েল, দেখার যেনো কেউ নেই । অতি শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি .মাননীয় জেলা প্রশাসন কে ।

কবির হোসেন- হোম কোয়ারেন্টাইনের পঞ্চম দিন। নামাজ রান্না খাওয়া ঘুম এর পাশা পাশি বই পড়া শুরু করছি। হে মালিক বিশ্বের সকল মানুষকে মুক্তি দাও।

শিপুফরাজীপ্রিয় বন্ধুরা, এখন চলছে বসন্তকাল, চলছে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব। প্রাকৃতিকভাবে সর্দি-কাশি, জ্বর এগুলো হওয়ার সময় এটি। এ সময়ে যেসব খাবার পাওয়া যায়, সেগুলোতে এসব রোগের প্রতিষেধকও থাকে প্রাকৃতিকভাবেই। সাধারণভাবে বসন্তকালে প্রচুর শাক পাওয়া যায়। এখন হাতের কাছে যেসব শাক পাবেন, সেগুলোই খাবেন। রেসিপি কী হবে, সেটা নিজেরাই ঠিক করে নিন। এ শাকগুলো শরীরের রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে বাড়তি রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরকে যুদ্ধ করতে শক্তি জোগাবে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে এখন প্রয়োজন শরীরের রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ানো। এ ক্ষমতা যার যত বেশি, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকে থাকার সম্ভাবনা তার তত বেশি। আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া মানেই মৃত্যুর ঝুঁকি নয়। রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা ঠিক থাকলে এটি আপনার শরীরে অন্যান্য সাধারণ সর্দি-জ্বরের মতোই একটি রোগ। করোনার এই সময় বেশি তেল-চর্বিযুক্ত খাবার না খেয়ে দেশি খাবার খান। বাড়িতে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

কামাল উ্দ্দিন হাওলাদার- ত্রাণের আশায় হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে রাস্তায় আসছে হতদরিদ্ররা। ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিলে হোম কোয়ারেন্টাইন বহুলাংশে নিশ্চিত করা যেত।

কবির হোসেন- আমি গর্বিত, দেশের প্রথম শ্রেনীর জাতীয় দৈনিক, দৈনিক আমাদের সময়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ কর‍ার সুযোগ পেয়ে।এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব এমন একজনের হাতে যার উন্নত চিন্তা-চেতনা আমাকে একা নয়, সবাইকেই মুগ্ধ করে। তিনি আমাদের তরুণ সমাজের গর্ব, তরুণদের অহংকার, দৈনিক আমাদের সময়ের প্রিয় সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার। করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে সরকারি ছুটি ঘোষণার আগে থেকেই আমাদের সম্পাদক মহোদয় তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সবার নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। তিনি সরকারি ছুটি ঘোষনার আগেই আমাদের বাসায় থেকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। প্রয়োজনের তাগিদে আজ অফিসের নিজস্ব গাড়িতে করে অফিসে আনা হলো। অফিসে পৌঁছে দেখলাম অফিসের কর্মীদের নিরাপত্তায় সম্পাদক মহোদয়ের অনেকগুলো পদক্ষেপ।অফিসের টেবিল, চেয়ার, কম্পিউটারে জীবাণূনাশক স্প্রে করা হয়েছে, অফিস আঙিনা জীবানূনাশক দিয়ে ধোয়া-মোছা চলছে।এরপর গেইটে হ্যান্ড সেনিটাইজার। উপরে উঠে আসার পর দেওয়া হলো পিপিই।একজন কর্মীর নিরাপত্তায় আর কি চাই? ধন্যবাদ প্রিয় সম্পাদক, ধন্যবাদ আমাদের সময় কর্তৃপক্ষকে।

সাংবাদিক রহমত উল্যাহ পাটোয়ারী- বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেক অর্থশালী অাছেন। দেশের সংকটময় যে কোন সময় তাদেরকে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দেখা যায় না । কিন্তু মুসলমানরা হিন্দু সম্প্রদায়ের গরীবদের সহযোগিতা করেন।
এটাই ইসলামের শিক্ষা।

হেলেনা জাহাঙ্গীর- সরকারের কাছে অনুরোধ যে মারা গেছে তাকে সময় নষ্ট করে করোনা ভাইরাস সনাক্ত না করে জীবিত অবস্থায়ই সনাক্ত করলে জনগণ উপকৃত হবেন।যে মারা গেছে তো গেছে,মারা যাওয়া মানুষের পিছনে সময় ব্যায় না করে আমরা যারা আছে তাদের বাচাই। সকলের প্রতি এটাই অনুরোধ।জনগন ধরে নিচ্ছে এখন যারা মারা যাচ্ছে সবাই করোনাভাইরাস থেকেই মারা যাচ্ছে।সত্য হচ্ছে মানুষ বিভিন্ন কারনে মারা যেতেই পারে আগে যেমনটা যেতো।চারিদিকে এখন সবাই খুব বেশি সচেতন সকল বিষয়ে অবগত।তাই জীবিত অবস্থায় যাদের শারীরিক সমস্যা তাদের সনাক্তকরণে এগিয়ে আসা উচিত।করোনা ভাইরাস আতংকে সাধারণ রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত।

রেহানা পারভীন- করোনা নিয়ে ‘ব্যবসা’ শুরু হবে কি খুব দ্রুতই? বেসরকারি চ্যানেলে পরপর কয়েক দিন একটি প্রতিবেদন দেখলাম। করোনা চিকিৎসায় বেসরকারি (পাঁচ তারকা) হাসপাতাল (হোটেল) গুলোকে প্রস্তুত (ব্যবসা) করার সুপারিশ (দালালি) করছে। খুব শীঘ্রই হয়তো এ ব্যবসা জমে উঠবে। তাদের ভয় যদি করোনা সংকটকে কেন্দ্র করে দেশের সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা সত্যি সত্যি দাঁড়িয়ে যায় তবে তাদের কোটি কোটি টাকার পাঁচ তারকা হাসপাতাল গুলোয় লাল বাতি জ্বলতে পারে। তাই এখন দালাল ধরা শুরু হয়ে গেছে। সমগ্র ব্যবস্থার একটা বড়ো অংশ অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। তাই করোনা সংকট যত বড়ই হোক সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে হয়তো দাঁড়াতে দেয়া হবে না।

 

দ্বিত্ব শুভ্রা- যেন এক ঋতুহীন জীবনে বহু বছর ধরে আছি।

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

স্পেশাল ম্যাংগো ট্রেনের যাত্রা শুরু

মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি  :: আজ শুক্রবার বিকেল ৪টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলষ্টেশন ...