ব্রেকিং নিউজ

করোনাভাইরাস নিয়ে ফেসবুকে আপনার লেখা (২৯ মার্চ)

ডেস্ক নিউজ :: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আধুনিক জীবনে এক নতুন বাস্তবতা। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তি তথ্য, মতামত, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি আদান-প্রদান করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করছেন। ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্তমানে মানুষের জীবনে ব্যাপক প্রভাব রেখে চলেছে। বর্তমানে অনেকেই ঘরে বসে করোনাভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার মতামত তুলে ধরছেন। ইউনাইটেড নিউজ আজ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন জনের মতামতগুলো সংগ্রহ করে হুবহু তুলো ধরবে-

 

ড. তোফায়েল আহমেদ- কুমিল্লায় কারা কীভাবে করোনা প্রতিরোধ ও অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছেন,ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সাথে যুক্ত হতে চায়।

শামসুদ্দিন হীরালোক দেখানো কান্না গাঁথা সহস্রভাগ মস্ককরা, ক্লান্ত চোখে কবর খুঁজছে জীবন্ত সব মানুষ’রা।

গিয়াস উদ্দীন বুলবুল- আমার বিশ্বাস খুব দৃঢ় হচ্ছে যে আমরা বেঁচে যাবো আর এটা চীনই করেছে! ইউরোপে অনেক গরীব দেশও আছে। তাদের দেশে এটাক হয় নি। হোলো ইউরোপের পাঁচ মাথা জার্মানি ইংল্যান্ড ফ্রান্স ইটালী আর স্পেনে। আর ওইদিকে বিশবমোড়োল আমেরিকায়। বাংলাদেশের মতো গরীব দেশে যদি ইউরোপ আমেরিকার মতো ম্যাসিভ এটাক হইতো তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষ মরে যাওয়ার কথা। বাস্তবে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ কিংবা আফ্রিকার দেশগুলিতে সেইরকম এটাক বলতে হয়ই নি। অথচ এসব গরীব দেশের চিকিৎসা ব্যাবস্থা একেবারেই যাচ্ছেতাই! অথচ ইউরোপ আমেরিকার মতো ধনী দেশে চিকিৎসা ব্যাবস্থা এত উন্নত হওয়া সত্ত্বেও তারা একেবারেই সামাল দিতে পারছে না। কেন? এইখানে যে একটা কিন্ত আছে, কেউ আন্দাজ করতে পারছেন? বেইজিং বা সাংহাই শহর উহানের এত কাছে থাকা সত্ত্বেও সেখানে করোনা ছড়ালো না কেন?

হিসাবে কিন্ত দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা লেজে গোবরে হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্ত বলতে গেলে কিছুই হয় নি। অথচ বিশ্বমোড়ল চিৎপটাং! এত প্রোটেকশন নেওয়ার পরেও। আর তাদের চিকিৎসা ব্যাবস্থা এবং সায়েন্স এত উন্নত হওয়ার পরেও কিচ্ছু করতে পারছে না। আর মেক্সিকো তাদের একেবারেই প্রতিবেশী হওয়ার পরেও সেখানে তেমন কিছু হয় নি। হয় নি ব্রাজিল আর্জেন্টিনা পেরু কলম্বিয়া উরুগুয়ের মতো ল্যটিন আমেরিকার দেশগুলিতেও! কেন? চীন এত দ্রুত নিজেদের সামলে নিলো কিভাবে? কিভাবে?

তাপস কুমার দত্ত- মাত্র ৪৮ জন করোনা পজিটিভ বাংলাদেশে। অন্যদিকে ব্রিটেন এবং আমেরিকায় করোনার দাবানল শুরু হয়ে গেছে।
তারপরও বাংলাদেশে ব্রিটিশ ও মার্কিন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশ ত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন। কেন? তাদের অনুসন্ধানে বাংলাদেশ কি করোনার আগ্নেয় মুখে বসে আছে? অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ হবে?

শফিকুল ইসলাম- এ এমন এক মহা দূর্যোগ যে মানুষ মানুষের পাশে দাড়ানোর পরিবর্তে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে আর চলাচল নিষেধাজ্ঞা মেনে চলছে। তারপর ও করোনা ভাইরাস সৃষ্ট কোভিড উনিশ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে পৃথীবির এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। বাংলাদেশে অতি ধীরে হলেও যেন গুটি গুটি পায়ে এই মহামারীর আতঙ্ক ধ্বণী প্রায় সর্বত্র শোনা যাচ্ছে। অন্যান্য দূর্যোগের মত এই মহামারী দূর্যোগেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিপদাপন্নতা অনেক বেশী।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন (DPO) এর সদস্য ভাই ও বোনেরা আশা করি আপনারা নিরাপদে আছেন ও সরকারের ঘোষিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলছেন। কোভিড রোগ ছড়ানো বন্ধ করার এক মাত্র উপায় নিজেকে অন্যের কাছ থেকে দূরে রাখা, সামাজিক দূরত্ত বজায় রাখা, নিয়মিত হাত ধোয়া, ব্যক্তিগত পরিছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের চলাচলকে নিয়ন্ত্রিত করা। আমরা ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের কিছু বিধিবিধান সম্বলিত বাংলা প্রচারপত্র পাঠিয়েছি। আমরা অনুরোধ করেছি DPO তে যারা দৃষ্টি, মূক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বা যারা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বা তাদের মত অন্য যারা সবচেয়ে বিপদাপন্ন অবস্হায় আছেন তাদের কাছে স্হানীয় উপায়ে এই বিধি সমূহ প্রচার করা। আপনারা মোবাইল ফোনে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই কাজটি করতে পারেন।
এডিডি’র চলমান কর্মসূচীর সঙ্গে সম্পৃক্ত পটুয়াখালীর বারোটি, খুলনার তিনটি, চট্টগ্রামের পাঁচটি, রংপুরের নয়টি, বগুড়ার দশটি, বাগের হাটের তিনটি, ফরিদপুরের পাঁচটি, রাজশাহীর পাঁচটি এবং ঢাকার তিনটি DPO সহ কুষ্টিয়া, মাগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও অন্যান্য জেলায় কর্মরত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জনসংগঠন ও তার বিশাল সংখ্যক সদস্যদের প্রতি অনুরোধ আপনারা এই মহা বিপদে ধৈর্য ধরবেন, সাহস হারাবেন না, গুজবে কান দেবেন না। সকল স্বাস্হ্যবিধী মেনে চলবেন। যেহেতু চলাচল নিয়ন্ত্রিত ও সামাজিক যোগোযোগ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বলা হয়েছে, আশা করি সকলে তা মেনে চলবেন।
এডিডি অতীতের মত বর্তমানের এই মহা দূর্যোগে ও আপনাদের পাশে আছে। সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সুরক্ষা, তথ্যের ও সেবার অভিগম্যতা এবং সকলের নিরাপত্তা আমাদের একান্ত কাম্য। সকলে ভাল থাকুন সুস্হ থাকুন। মঙ্গলময় সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায়। ধন্যবাদ।

সাংবাদিক সানা উল্লাহ সানু করোনা পরিস্থিতির কারণে এ মুহূর্তে পৃথিবীর অনেক দেশেই মোবাইল কলরেট এবং ইন্টারনেট বিল কমিয়েছে বা ফ্রি করে দিয়েছে। কিন্ত বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা চোখে পড়ছে না। প্রবাসী ভাইয়েরা আপনাদের দেশ এবং অপারেটরের নাম উল্লেখ করে তথ্য দিন।

ইসমাইল গাজী- আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহ সুস্থ রেখেছেন। লক্ষ্মীপুরে আছি, স্থানীয় সংগঠনের যদি কোন কাজে লাগে আমাকে নিতে পারেন, কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুক।

নূর কামরুন নাহার- ঘরে থাকা আপনার সামাজিক দায়িত্ব।টিভিচ্যানেলে দেখলাম রাজধানীবাসীরা এখন আর ঘরে থাকার আহ্বান মানতে চাইছেন না। অনেকেই বের হয়ে আসছেন রাস্তায়। যারা নিন্মআয়ের মানুষ তারা অনেকেই হয়তো পেটের দায়ে বের হয়েছেন। কারণ আমরা তাদের খাবার নিশ্চিত করতে পারিনি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেক প্রাইভেট কার। তারা কেন বের হয়েছেন ঘর থেকে। কারো কারো হয়তো জরুরি কিছু আছে। কিন্তু সবার কি জরুরি? যাদের জরুরি কোনো দরকার নেই। তারা কেন বের হয়েছেন? এখন কি শহরটা ঘুরে দেখা বা আনন্দ করার সময়? মানুষের জন্য আমরা তো তেমন কিছুই করতে পারছি না। এই যে সংকট লক্ষ লক্ষ মানুষের বিপদ। আফসোস! কিছুই করতে পারছি না। শুধু ঘরে থাকা এটুকুও কেন মানছি না আমরা। আপনারা কি ভেবেছেন বাংলাদেশ নিরাপদ ? আমরা কেউ নিরাপদ নই। আমাদের সামাজিক দায়িত্ব এখন ঘরে থাকা। আমাদের কেন বাধ্য করতে হবে? আপনার সামাজিক দায়িত্বেই আপনি ঘরে থাকুন। মানুষের জন্য আর কিছু করতে না পারুন। অন্তত ঘরে থেকে নিরাপদ রাখুন নিজেকে, দেশকে ।

আনোয়ারুল্লাহ- আজকের এই ক্রান্তি কালে আমাদের মাঝে নেই বিশ্বের মানব কর্মী মানবতার মহান প্রান দুর্যোগ মোকাবেলায় শ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাবিদ স্যার ফজলে হাসান আবেদ !! আজকে এই মূহুর্তে এই মহীয়সীকেই খুব বেশী প্রয়োজন ছিল !! হে মহীয়সী তুমি নেই ! আমরা যেন তোমার নির্দেশিত পথে চলতে পরি সেই প্রার্থনা কর !! তুমি মরনি !! তুমি চির অম্লান, চির অমর, চির ভাস্সর, তুমি ছিলে ! তুমি আছ ! তুমি থাকবে অনাদি অনন্ত কাল !!

রহিমা আক্তার মৌ- তেজগাঁও এলাকায় আকিজ গ্রুপের উদ্যোগে করোনা হাসপাতাল বানানো বন্ধ। বন্ধ করার পেছনে রাজনীতি আছে এটা যখন আমি আমার মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে বলি। বাবা আমায় বলেন, তুই কি জানিস আকিজের মালিক কে? জ্বি বাবা জানি। তাহলে রাজনীতির দোষ দিলি কেন? কথা বাড়তে পারে দেখে বাবা মোবাইলটা মায়ের হাতে দিয়ে দেন। মায়ের সাথে কথা বলে রেখে দিই। আমি ভাবছি বাবাকে কি করে বুঝাবো যে, বাবা তুমি যে আদর্শ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছ সে আদর্শের গলা টিপে ধরা। এখন চোরকে বলে চুরি কর, গেরস্তকে বলে জেগে থাক। আল্লাহ্‌ আমাদের হেদায়েত করুন, হেফাজত করুন। সবই উপরওয়ালার হাতে, উছিলা হল আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা আর আমাদের ডাক্তাররা। উনাদের ও সুস্থতা কামনা করি।

ফারুকুল ইসলাম- দেশের সংকট মুহুতে লুটপাট চাদাবাজী দূনীতি বন্দ করে মানব সেবা এগিয়ে আসুন।

অধ্যাপক ড. হামিদুল হক- এই নেতৃত্বই অনুকরণীয়। করোনাভাইরাসকে Public Health issue বা জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসাবে গ্রহণ করে করনীয় কাজে নেতৃত্ব দেওয়ার নামই হল ক্ষমতায় আসীনদের দ্বায়ীত্বশীল নেএীত্ব। করোনাকে রাজনৈতিক বা Political Issue বানিয়ে এর সমাধান নেই, এতে বাহাদুরিও নেই। জয় হোক মমতার।

জিএম কামরুল হাসান- প্রসঙ্গঃকরোনা, আমাদের অলসতার কোন সুযোগ নেই, আরও সাবধান হওয়া উচিৎ। আসুন সবাই ঘরে থাকি।

চয়নিকা সাথী- দেশের কয়েক জায়গায় আইসোলেশনে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু; পরীক্ষা করার প্রশ্নে আইইডিসিআর বলেছে প্রয়োজন নেই! তারপর স্বাভাবিক দাফনের নির্দেশ…।বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা যেখানে বারবার পরীক্ষা করার কথা বলছেন, সেখানে আইইডিসিআর এর এ কেমন আচরণ? মানুষের জীবন, দেশ ও জাতিকে নিয়ে এ কেমন লুকোচুরি খেলা হচ্ছে? প্রশ্ন এখানেই শেষ নয়, আরও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়! সমস্যা কোথায় বুঝতে পারছি না! ভাবতেও ভয় হচ্ছে, এমন অবহেলা ও লুকোচুরি চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের অবস্থা কি হবে! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার নজরদারি প্রত্যাশা করছি। আমরা নিরাপদ জীবন, নিরাপদ দেশ ও নিরাপদ জাতি চাই।

চৈতালী হালদার চৈতি- মা ২৫ বছর ধরে একটানা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি..ছোটবেলা থেকেই তার জনকল্যানকর কার্যাবলী দেখতে দেখতে বর হয়েছি..আগে এসব ছবি তোলা হত না বা ছবি তোলার প্রয়োজনীয়তা মনেও আসত না ..নিভৃতে জনসেবাধর্মী একজন নারী তিনি তা বোধ করি এ উপজেলার সবাই জানেন…

এখন স্যোশাল মিডিয়ার যুগ …সবাই প্রচার এবং প্রসারে বিশ্বাসী।তাই মাকে একটু ছবি তোলা শিখিয়েছি ।সে লকডাউনের আগের দুদিন তার নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে ঘুরে অসহায় দুস্থদের মাঝে মাস্ক এবং সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ করেছে।কিন্তু তিনি শুধু মাস্ক দেওয়ার ছবিই তুলতে পেরেছেন আর ফিরে এসে বলেছেন এসব ছবি তোলা টোলা তাকে দিয়ে হবে না….
সকলের মঙ্গল হোক..করোনা মুক্ত হোক বাংলাদেশ

সাংবাদিক কামরুন নাহার- দেশে যদি করোনা পরিস্থিতি বিশ্বের তুলনায় নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে এতো হাজার শয্যার এতো এতো হাসপাতাল তৈরি করতে হচ্ছে কেন?

 ইশরাত শর্মী- হুম আমিও মানি- হাসপাতালের চিকিৎসকরা ফ্রন্টলাইন ফাইটার। কিন্তু এই ফ্রন্ট লাইন ফাইটারদের গ্রুপ থেকে ল্যাবরেটরিতে কর্মরত টেকনোলজিস্ট বাদ যাচ্ছে না তো!?!?! ল্যাবরেটরিতে যেসব ডাক্তার (মাইক্রোবায়োলজিস্ট, ভাইরোলজিস্ট, প্যাথোলজিস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি) পজিটিভ কেইস স্যাম্পল নিয়ে কাজ করছেন তারা তো হাসপাতালের অন্য ক্লিনিক্যাল সাইডের ডাক্তারদের মত রোগী দেখেন না,কিন্তু তারা যে আড়ালে থেকেও গেরিলা যোদ্ধার ভূমিকায় আছেন শুরু থেকে তা আমরা ভেবেছি!!!

হুম আমি এটাও মানি- যে দেশে বীরকে বীরের মর্যাদা দেয়া হয় না,সে দেশে বীর জন্মায় না। কিন্তু যে চিকিৎসক কমিউনিটিতে আর ১০ জন সাধারণ মানুষের মতই লোকাল এরিয়া থেকে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছে তাকে “বীর” খেতাব দিতে হলে কোভিড-১৯ আক্রান্ত প্রতিটা মানুষকেই “বীর” খেতাব দিতে হবে। তাই নয় কি!?!?

(সুতরাং নামের আগে “ডা.” জিনিসটার অপব্যবহার এবং এটা ভাঙিয়ে সুবিধা নেয়ার বা দেয়ার চেষ্টা না করাই সম্মানজনক)

হাসান ইমাম রাসেল- অসহায়দের সহায়তায় কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলার জন্য ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 জসিম উদ্দীন- আসুন আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ অনেক গরীব দুঃখী মানুষ আছে যারা অসহায় যারা একবেলা খেতে পায় আরেক বেলা খেতে পায় না যদি আমরা তাদের প্রতি একটু খেয়াল রাখি তাহলে তারা ভালোভাবে চলতে পারবে।

আদনান রহমান- ক‌রোনা: বি‌শ্বে প্রানহা‌নি ৩১৭০০ জন, আক্রান্ত ছয় লাখ ৭৮ হাজা‌রের বে‌শি।

আবদুল্লা আল মামুন- করোনা মোকাবেলায় বসুন্ধরা গ্রুপ বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে বিশেষ হাসপাতাল করতে ইচ্ছুক, প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন

এমএম হোসেইন বাবলু- যমুনা টিভির সংবাদ অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে পাঁচজন নিহত হয়েছে ,স্থানীয় প্রশাসন অধিকাংশ মৃত ব্যক্তির বাড়ি বা এলাকা লগডাউন করে দিয়েছে অথচ আইইভিসিয়ারের তথ্য মতে আজ দেশে নতুন করে কোন করোনা রুগি শনাক্ত হয়নি এবং কেউ মৃত্যু বরন করেনি।প্রশ্ন হল মৃত ব্যক্তিদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে না পাড়াটা আমরা কি আমাদের জাতির জন্য বড় বিপদ ডেকে আনছি কি না?

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জটিল ধাধায় মেগা প্রকল্প ও বাজেট বাস্তবায়ন

রিপন আশরাফ :: জটিল বাধায় মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও চলতি বছরের দেশের বাজেট ...