সাইমুন মুবিন পল্লব :: করোনা মহামারীর শুরুতে দরিদ্র পরিবার, যৌনকর্মী, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীগুলি হঠাৎ করে দৈনিক খাদ্য সঙ্কটে পড়ে। তাদের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষনিক খাদ্য সংকট হ্রাস করতে খাদ্য সহায়তা করার উদ্যোগ নেয় বেসরকারি সংস্থা ‘লাইট হাউজ’। খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি তারা স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য পরিষেবা ও জীবিকার চাহিদা পূরণ করার উদ্যোগ গ্রহন করে ।
.
এরই ধারাবাহিকতায় বগুড়া শহরে ও কাহালু উপজেলার কাজিপাড়ার ৬০০ জনের মাঝে খাবার বিতরণ করে লাইট হাউজের কর্মিরা। একই সময় “জার্মান চিকিৎসক ও আইসিডিডিআরবি এর সহযোগিতায় লাইট হাউস এর ১৮ টি জেলার ১৩০৩ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছে।
.
এছাড়াও নিজস্ব অর্থায়নে লাইট হাউস ঢাকার ১১১ জন মহিলা যৌনকর্মীকে খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করেছে এবং ইউএনএফপিএ-এর সমর্থিত প্রকল্পের আওতায় এটি ৩৯০ টি পতিতালয় ভিত্তিক মহিলা যৌনকর্মী এবং তাদের শিশুদের মধ্যে চাল, ডাল, (ডাল), আলু, পেয়াজ , লবণ, রান্না তেল এবং শিশুদের সুজি , দুধ, বিস্কুট ইত্যাদি প্রদান করে।
খাদ্য সহায়তাসহ তারা আরো বেশ কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাড়ায়। এরমধ্যে অন্যতম হলোঃ স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য সেবা, নগদ অর্থ প্রদান, করোনা সচেতনতা মাইকিং, চিকিৎসক হেল্প লাইন তৈরি ও পিপিই-মাস্ক বিতরণ।
.
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মিদের মাধ্যমে লাইট হাউজ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে করোনাকালিন দূর্যোগ মোকাবেলা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে বলে দাবি করে সংস্থাটি৷
.
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী হারুন-উর-রশিদ ইউনাইটেড নিউজ কে জানান, ১৯৯৩ সাল থেকে লাইট হাউজ দরিদ্র মানিষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। করোনাকালিন সরকারি ও নিজস্ব অর্থায়নে দূর্যোগ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তিনি মনে করেন, স্থানীয় সরকারের সহযোগিতার মাধ্যমে এনজিও গুলোর দ্বারা তূর্ণমূলে ব্যাপক কাজের সুযোগ রয়েছে। সরকার এদিকে নজর দিলেই এসকল কাজ সম্পাদন করা সম্ভব।
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here