ডেস্ক রিপোর্ট : : তিন দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল। হোটেল-মোটেল খালি না থাকায় কক্ষ না পেয়ে সৈকত ও সড়কে পায়চারী করছেন। রেস্তোরাঁ, যানবাহনসহ সব খানে বাড়তি অর্থ আদায় ছাড়াও হয়রানির অভিযোগ পর্যটকদের। এ জন্য দালালচক্রকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের যেন মেলা বসেছে। সাপ্তাহিক ও একুশে ফেব্রুয়ারির টানা ৩ দিনের ছুটিতে তাদের পদচারণায় মুখর সাগরতীরসহ পর্যটন স্পটগুলো।

সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে হোটেলে রুম ভাড়া না পেয়ে ব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে অবস্থান করছেন বালিয়াড়িতে। আবার অনেক পর্যটক অবস্থান করছেন সাগরতীরে। ভ্রমণে এসে অনেক পর্যটক হোটেল রুমের জন্য ঘুরছেন। কেউ চাচ্ছেন অতিরিক্ত ভাড়া। পর্যটকদের অভিযোগ, তারা হয়রানি শিকার হচ্ছেন।

পর্যটকরা জানান, অনেক দৌড়াদৌড়ি করলাম। কোনো রুম পাইনি। যেগুলো পাওয়া সেগুলোর অনেক ভাড়া।

একজন জানান, গাড়ি ভাড়া, খাবারসহ সব কিছুতে অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছেন তারা। এতে পরিবার ও শিশু নিয়ে ভোগান্তি পড়েছি।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, টানা ছুটিতে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া ও হয়রানির করেছ দালালচক্র।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. সাকের আহমদ বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যটকদের হয়রানি নিরসন করা হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী টানা ছুটিতে কক্সবাজারে ৪ লাখের বেশি পর্যটক এসেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here