ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডেস্ক ::

কোরবানির ঈদে মাংসের বাহারি পদ খাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়! সবার ঘরেই এ সময় মাংসের নানা পদে টেবিল ভর্তি থাকে। তবে শরীরের কথা (বিশেষ করে বয়স্কদের) চিন্তা করে অতিরিক্ত খাবার পরিহার করার বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে সবার।

কোরবানি ঈদ ও এর পরবর্তী দিনগুলোতে সবাই কমবেশি দাওয়াত খান। পাশাপাশি নিজেদের ঘরেও তৈরি করা হয় বাহারি আয়োজন। তবে যারা অতিরিক্ত ওজনে ভুগছেন এমনকি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনির রোগীদের গরু ও খাসির মাংস অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।

১. চর্বিযুক্ত মাংস একেববারেই খাবেন না। শরীরে হঠাৎ চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলে, রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। চর্বিছাড়া মাংস খেতে হবে।
২. মাংসগুলো যতটা সম্ভব ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। তাহলে তেলজাতীয় পদার্থ ঝরে যাবে। আর অবশ্যই মাংস সব সময় অল্প তেলে রান্না করবেন। কারণ গরু বা খাসির মাংসের নিজস্ব যে তেল আছে তাতেই অনেকটা কাজ হয়ে যায়। সয়াবিনের বদলে সরিষার তেল ব্যবহার করুন।
৩. গরুর মাংস সবজির সঙ্গে রান্না করুন। আলু, পেঁপে, পটল, ফুলকপি দিয়ে রান্না করতে পারেন গরুর মাংস। অনেকে আবার গরুর মাংস রান্নায় চুইঝাল আর আস্ত রসুন পছন্দ করেন। সেটিও আপনার গরুর মাংসে যোগ করবে আলাদা মাত্রা।
৪. রান্নার আগে মাংসে বেশি করে লবণ ও টক মাখিয়ে রেখে দিন। লবণ মাংসের শক্ত মাসল ফাইবার সহজেই ভেঙে ফেলে। তাই মাংস নরম হয়ে যায় ও সহজে সেদ্ধ হয়ে যায়।
৫. মাংসে টেস্টিং সল্ট, সয়া সস এগুলো না ব্যবহার করাই ভালো। মাংস বারবার গরম করতে নেই। এতে পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে ক্ষতিকর উপাদান ও জটিল প্রোটিন তৈরি হয়।
৬. মাংসের সঙ্গে প্রচুর সালাদ খান। কোল্ড ড্রিংকস ও ডেজার্টের পরিবর্তে মাঠা, জিরা পানি বা টকদই খান।
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here