ডেস্ক রিপোর্ট:: নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। একারণে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আবু বক্কর সিদ্দিক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই দিন ধার্য করেন।

গত ২৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। ওই ঘটনায় পরের দিন ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তাঁর বডিগার্ড মো. জাহিদুল মোল্লা ও এ বি সিদ্দিক দিপু, গাড়িচালক মিজানুর রহমান এবং অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেন।

একই ঘটনায় পরের দিন গত ২৬ অক্টোবর পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফানের বাবা হাজী সেলিমের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই সময় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে এরফান সেলিমকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। আর ইরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের সাজা দেন। এরপর গত ২৮ অক্টোবর র‌্যাব-৩ এর ডিএডি কাইয়ুম ইসলাম চকবাজার থানায় ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন।

মাদকদ্রব্য রাখার দায়ে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজা থেকে গতকাল মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) জামিন পেয়েছেন ইরফান সেলিম। মাদকদ্রব্য রাখার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জামিনের এই আদেশ দেন। এর আগে গত রবিবার (৩ জানুয়ারি) ওয়াকিটকি বহন করা মামলায় আদালত জামিন দেন তাঁকে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here