আইয়ুব বাচ্চুর শেষ স্ট্যাটাস

আইয়ুব বাচ্চুস্টাফ রিপোর্টার :: প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জীবনের শেষ স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন রংপুরে অনুষ্ঠিত একটি কনসার্ট নিয়ে।

মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাতে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘শেকড়ের সন্ধানে’ নামক কনসার্টে জীবনের সর্বশেষ গান করেন তিনি।

গুণী এই ব্যান্ড তারকার ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা যায় ১৬ অক্টোবর রাত পৌনে বারোটায় তিনি সর্বশেষ স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। যেখানে তিনি লেখেন-Hats off #Rangpur

Love to #GB

Where there are musicians,

There are music.

See you soon again #Rangpur

Love you.

You were awesome tonight ❤️।

ওইদিন রংপুর জেলা স্কুল মাঠে  ‘শেকড়ের সন্ধানে’ নামক কনসার্টে জীবনের শেষ গান করেন তিনি। সেদিন রংপুরে হাজার হাজার মানুষকে মুগ্ধ করেছিলেন তিনি।

এছাড়াও ইতোমধ্যে এবির ফেসবুক প্রোফাইলকে রিমেমবারিং করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। দুপুর ১২টার পর  থেকে তার প্রোফাইলে রিমেমবারিং বা স্মরণীয় বার্তা দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে নিজের বাসায় আইয়ুব বাচ্চু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে গৌরবময় ও অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ এ ভূষিত করেছেন। মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা তাঁদের হাতে তুলে দেন। সরকার গত ১০ মার্চ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে। পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তিগণ হচ্ছেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জ্বল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ এটিএম জাফর আলম (মরণোত্তর), এ কে এম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. কাজী মিসবাহুন নাহার, আব্দুল খালেক (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মোহাম্মাদ খালেদ (মরণোত্তর), শওকত আলী খান (মরণোত্তর), চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজ সেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, সংস্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খাঁন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারকে (বিআইএনএ) এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ টাকার চেক, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি পদক এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তৃতা করেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহম্মদ শফিউল আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বিচারপতিবৃন্দ, জাতীয় সংসদের সদসবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, বিদেশি কূটনিতিকবৃন্দ, সরকারের পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ কবি-সাহিত্যক-বুদ্ধিজীবী এবং দেশ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ সহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ...