শেখ মোঃ আবুল বাসার, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি ::
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ্য ভর্তি রোগী উঠা নামানোয় চরম বিপাকে পড়তে হয় তার স্বজনদের। ১ অক্টোবর (শনিবার) সকালে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সত‍্যতা পাওয়া যায়। সেখানে নেই জরুরি বিভাগের সামনে কোন স্ট্রেচার ব্যবস্থা। নিরুপায় হয়ে অনেক রোগীকে কোলে করাসহ হাটিয়ে নিতে দেখা যায়।
এসময় রোগীর স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, অনেক রোগীর সাথে যে সকল মানুষ আসেন তারাও কোন না কোন রোগে ভুগছেন, এইভাবে রোগীকে ২য় তলায় উঠানো তাদের কাছে অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে। এখানেই শেষ নয়, সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তার যে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে দেন তার বেশীর ভাগ হাসপাতালের বাইরের ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে করতে হয়। সে সময় রোগীকে বারবার উঠানামা করাতে চরম ভোগান্তীতে পড়তে হয় আমাদের।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ পুরাতন ভবনের নিচ তলায় অবস্থিত যার সামনেই নতুন ভবন রয়েছে। এই ভবনের সাথে রয়েছে র‌্যাম সিঁড়ি যা দিয়ে খুব সহজেই রোগীকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা সহজ। কিন্তু অদৃশ্য কারনে দিনের বেশীর ভাগ সময় তালাবদ্ধ থাকে এই সিঁড়ি দিয়ে প্রবেশ পথটি।
রোগীর স্বজনদের দাবি, সব সময় এই সিঁড়ি খোলা রাখা সহ পর্যাপ্ত স্ট্রেচারের ব্যবস্থা করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দেবেন।
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. ওয়াহিদুজ্জমান বলেন, আমার জরুরি বিভাগে একজন এটেন্ডেন্স আছে, তাকে দিয়েতো ২৪ ঘন্টা কাজ করানো সম্ভব না। তাকে দিয়ে রোগীর প্লাষ্টার সেলাই করাবো না রোগীকে দোতলায় উঠানামা করাবো। আমার জনবল কম এব্যাপারে সরকারকে নক করেন।
নতুন ভবনের র‌্যাম সিঁড়ি সব সময় খোলা রাখা হয় না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা সব সময় খোলা রাখা সম্ভবনা। ওখানে অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র থাকে। আমার হাসপাতালে সিকিউরিটি গার্ড নেই । এক সময় আসেন জনবল নিয়ে কথা বলবো।
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here