ডেস্ক রিপোর্ট::  ২০২৩ সালের মার্চে এক আদেশে মণিপুর রাজ্যে তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের তালিকায় মেইতেই সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশের জেরেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পার্বত্য রাজ্য। জাতিগত সহিংসতায় ২০০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছিলেন। এবার সেই অনুচ্ছেদ বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মণিপুর হাইকোর্ট।

সম্প্রতি এক পর্যালোচনা পিটিশনের শুনানির সময় নির্দেশটি প্রত্যাহার করা হয়।

গত বছরের রায়ের বিতর্কিত অনুচ্ছেদে, মণিপুরের মেইতেই সম্প্রদায়কে তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ে অন্তর্ভুক্তির বিবেচনা ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ বিবেচনা করতে চার সপ্তাহের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিল মণিপুর উচ্চ আদালত। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সেই নির্দেশই বাতিল করে রায়ে তফসিলি উপজাতি তালিকা সংশোধনের জন্য ভারত সরকারের নির্ধারিত পদ্ধতির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

১৯ পৃষ্ঠার রায়ে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট জাতি, উপজাতি কি না, সেটা বিচার করার এখতিয়ার আদালতের নেই। অনুচ্ছেদ ৩৪১ এবং ৩৪২-এর অধীনে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশে উল্লেখ করা আছে, এগুলো বিবেচনার যাবতীয় দায়িত্ব সংসদের। এই সংক্রান্ত আইন বদলাতে হলে তা কেবল সংসদই করতে পারে।

এর আগে ২০২৩ সালের ২৭ মার্চে দেওয়া মণিপুর হাইকোর্টের রায়ের তীব্র সমালোচনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, মণিপুর হাইকোর্টের দেওয়া রায় ‘আপত্তিকর’।

উল্লেখ্য, মেইতেইদের সংখ্যা মণিপুরের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৩ শতাংশ। এদের বেশিরভাগেরই বসবাস ইম্ফল উপত্যকায়। এছাড়াও মণিপুর উপত্যকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের মধ্যে রয়েছে নাগা এবং কুকিরা। যাদের সংখ্যা ৪০ শতাংশ। এরা মূলত পার্বত্য জেলাগুলোতে বসবাস করে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here