Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
{ echo '' ; }
Home / টপ নিউজ / ১৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৮ জন শিক্ষক!
Print This Post

১৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৮ জন শিক্ষক!

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার চর গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়আসাদুজ্জামান সাজু, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার চর গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিশু শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা অনুয়ায়ী শিক্ষর্থী সংখ্যা ২ শত ৪৫ জন। তাদের পাঠদানের দায়িত্বে আছেন ৮ জন শিক্ষক।

কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ওই বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায়, ২ শত ৪৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন মাত্র ১৭ জন শিক্ষার্থী। তাদের পাঠদানের জন্য আধা ঘন্টা পর সকাল ১১ টায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৪ জন শিক্ষক।

ওই এলাকার মাইদুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, মনির হোসেন ও ছকিনা বেগম বলেন, চর গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দুই বছর আগে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পায়। বিদ্যালয়টি ৮ম শ্রেণীতে উন্নতি হলেও এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন হয়নি।

জটিলতার কারণে আপতত ৮ শ্রেণীর পাঠদান বন্ধ আছে। শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। দুই একজন আসলেও দুপুর ১২ টায় আসেন কিছুক্ষন থেকে দুপুর ২ টায় চলেন যান। ৮ ম শ্রেণীতে উন্নতি হলেও ক্লাস হয় ৫ শ্রেণী পর্যন্ত। এই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া না হওয়ায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীসহ আশেপাশের অনেক শিক্ষার্থী ২ কিলোমিটার দুরে গিয়ে গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গড্ডিমারী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস করেন। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন না।

বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, হাজিরা খাতা অনুয়ায়ী শিশু শ্রেণীতে ২২ জন, ১ম শ্রেণীতে ২৮ জন, ২য় শ্রেণীতে ৩৫ জন, ৩য় শ্রেণীতে ৪৭ জন, ৪র্থ শ্রেণীতে ৬৭ জন, ৫ম শ্রেণীতে ৩৩ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ৮ জন ও ৭ম শ্রেণীতে ৫ জন করে মোট ২ শত ৪৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত। জটিলতার কারণে ৮ম শ্রেণীর পাঠদান বন্ধ আছে। কিন্তু ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর মোট ১৩ জন শিক্ষার্থী থাকলেও ১ জন শিক্ষার্থীরও দেখা মেলেনি।

শিশু থেকে ৮ম শ্রেণী মিলে মোট ১৭ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সকাল সাড়ে ৯ টায় বিদ্যালয় খোলার নিয়ম থাকলেও সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত বিদ্যালয় তালাবন্ধ ছিলো। বিদ্যালয়ের অধিকাংশ রুম ও গোটা মাঠ দখল করে নিয়েছে ভুট্টা ব্যবসায়ীরা। ওই বিদ্যালয়ে উড়ে না জাতীয় পতাকা, গাওয়া হয়না জাতীয় সংগীত ও হয় না শরীর চর্চা।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, চর অঞ্চল হওয়ায় আমাদের যেতে একটু বিলম্ব হয়। আর এখন ভুট্টা মাড়াই চলার কারণে উপস্থিতি একটু কম। শিক্ষক ৮ জনের মধ্যে ১ জন প্রশিক্ষণের বাইরে আছেন ও ১ জনকে পার্শ্বের বিদ্যালয়ে সাময়িক বদলী রাখা হয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান আতিকুর রহমান বলেন, প্রায় ২ মাস আগে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ছিলাম। চর অঞ্চলের বিদ্যালয় হওয়ায় একটু সমস্যা হতে পারে। তারপরও অনিয়মের বিষয় গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful