Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
{ echo '' ; }
Home / আন্তর্জাতিক / সমগ্র চীনে মিসাইল হামলার সক্ষমতা গড়ে তুলছে ভারত
Print This Post

সমগ্র চীনে মিসাইল হামলার সক্ষমতা গড়ে তুলছে ভারত

সমগ্র চীনে মিসাইল হামলার সক্ষমতা গড়ে তুলছে ভারতডেস্ক নিউজ :: ভারত চীনকে লক্ষ্য করে তার পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার ঘটাচ্ছে। আগে প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র পাকিস্তানের কথা মাথায় রেখে পরমাণু কর্মসূচি পরিচালনা করত ভারত। কিন্তু বর্তমানে এ ব্যাপারে শক্তিশালী প্রতিবেশী চীনকে গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। দু’জন মার্কিন পরমাণু বিশেষজ্ঞ সম্প্রতি কথাগুলো বলেছেন।

ডিজিটাল জার্নাল ’আফটার মিডনাইটে’ গত জুলাই-আগস্ট সংখ্যায় তারা লিখেছেন ভারত দক্ষিণাঞ্চলে এমন মিসাইল সিস্টেম স্থাপন করছে যেখান থেকে চীনের যেকোনো এলাকায় হামলা চালান যাবে।

মার্কিন পরমাণু বিশেষজ্ঞ হানস এম ক্রিস্টেনসেন এবং রবার্ট এস নরিস লিখেছেন ভারত ১৫০-১৩০টি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্লুটোনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে। অস্ত্র প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের চেয়ে চীনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। দেশটি তাদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি সমৃদ্ধ করে চলেছে। তাদের হাতে সাতটি পরমাণু অস্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে। দুটি এয়ারক্রাফট, চারটি ভূমিতে স্থাপিত ব্যালেস্টিক মিসাইল এবং একটি সমুদ্রে স্থাপিত ব্যালেস্টিক মিসাইল। ভারত অন্তত আরো চারটি পরমাণু অস্ত্র ব্যবস্থা গড়ে তুলছে।

ক্রিস্টেনসেন এবং নরিস লিখেছেন অগ্নি-২ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ২ হাজার কিলোমিটার দূরে পরমাণু হামলা করা সম্ভব। যা পশ্চিম, মধ্য এবং দক্ষিণ চীনকে কভার করবে। অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বেইজিং এবং সাংহাইসহ চীনের প্রায় সকল এলাকায় পরমাণু হামলা করা সম্ভব হবে ভারতের পক্ষে।

ভারত এখন অগ্নি-৫ নামের মিসাইল তৈরির চেষ্টা করছে যা ৫ হাজার কিলোমিটার দূরে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড ছুঁড়তে পারবে।

ভারত চীনের ব্যবহারে গত এক দশক ধরেই চরম অসন্তুষ্ট। বিভিন্ন কারণে চীন-ভারত সম্পর্কের পারদ দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই নয়াদিল্লি সবরকম পরিস্থিতির জন্য ছক বাঁধছে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আশঙ্কা, চীনকে অতীতে বিশ্বাস করে ঠকতে হয়েছিল। ১৯৬২ সালের মতো আবার আচমকা সীমান্ত লঙ্ঘন করতে পারে চীন। চীন যে শুধু অর্থনৈতিক লড়াই বা ইকনমিক ওয়ার চালাচ্ছে তাই নয়। তারা যে কোনোদিন পেশি শক্তি নিয়ে ভারতের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

ভারতের সেনা ও গোয়েন্দারা সেরকমই বদ্ধমূল ধারণা পোষণ করেন।’ পেন্টাগনকে পাঠানো মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করা হলো ওই কথাগুলি। মার্কিন সিনেটের সিলেক্ট কমিটির সামনে ওই রিপোর্ট শীঘ্রই পেশ করা হবে। আমেরিকার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডিরেক্টর জেমস ক্ল্যাপার ওই রিপোর্টটি তৈরি করেছেন।

জেমস ক্ল্যাপার জানিয়েছেন, “ভারত, চীন দু’দিক থেকেই বাকযুদ্ধ চলছে। অরুণাচল প্রদেশ সীমান্ত ছাড়াও ভারত মহাসাগর ও এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বেজিং আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছে। আমরা এটা জানতে পেরেছি যে, চীনের আগ্রাসী ভূমিকায় আশঙ্কিত হয়ে ভারত নিজেদের প্রস্তুত করছে।”

ক্ল্যাপার অবশ্য আরো বলেছেন, ভারত-চীন যুদ্ধ এখনই হওয়ার সেরকম কোনো সম্ভাবনা নেই। তবুও ভারতীয় সেনা নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে যুদ্ধের জন্য সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্ল্যাপারের মতে, লো ইনটেনসিটি ওয়ার বা লিমিটেড ওয়ার হতে পারে ধরে নিয়েই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত করছে দিল্লি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রণকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, অরুণাচল, ভূটান, হিমাচল প্রদেশ ও লাদাখ সীমান্তে অতিরিক্ত তিন ডিভিশন সেনা মোতায়েন করেছে সাউথ ব্লক।

কমপক্ষে অতিরিক্ত ৩০ হাজার সেনা জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে গত তিন মাসে। উত্তরাখণ্ড, সিকিম, অরুণাচল ও লাদাখে ২৪ ঘণ্টার নজরদারি চালাচ্ছে ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশ ও সেনা হেলিকপ্টারগুলি। বেশ কয়েকটি বিমানঘাঁটি ও হেলিপ্যাড নতুন করে তৈরি করা হয়েছে হিমালয়ের পাদদেশে। বোফর্সের বেশ কিছু ব্যাটারি ও মাঝারি পাল্লার কামান, রকেট লঞ্চারের প্রচুর ইউনিট লাদাখ, অরুণাচলে নিয়ে আসা হয়েছে। চীন সীমান্তে রাতে জারি থাকছে চূড়ান্ত সতর্কতা।

বিশ্লেষকরা ধারণা করে বলেছেন, এশিয়ার দুই পরাশক্তি চীন-ভারতের মধ্যে ছোট কোনো প্রকার যুদ্ধও পুরো এশিয়ার সাথে সাথে বিশ্ব রাজনীতিকে অস্থির করে তুলবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful