শেষ বিকেলের এক চিত্রকর

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামএ. কে. এম. সেরাজুল ইসলাম, এই মানুষটিকে দেখেননি অথচ টেলিভিশনে অনুষ্ঠান নিয়মিত দেখছেন বাংলাদেশে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। আবার ঢাকার বিভিন্ন সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে গেছেন অথচ তাকে সরাসরি দেখেননি এমন ঢাকাবাসী খুঁজে পাওয়াও মুশকিল। এই মানুষটিকে নিয়ে এবারের বিশেষ আয়োজন। চলুন শুনি তার নিজের মুখেই তার বর্ণিল জীবনের গল্প-

:: ৬৬ পরবর্তী বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঢাকা শহরের পথে ঘাটে বিশেষ করে শহীদ মিনারের পাদদেশে দাঁড়িয়ে বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও নিজস্বতা নিয়ে যখন ভাবতে শুরু করি তখনই আমি পথনাটক, কবিতা আবৃত্তি দেশাত্নবোধক গান জাতীয়তাবাদী চিত্রকর্ম এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে পড়ি। ফলে বাঙালি সিনেমার প্রতিও আস্তে আস্তে অংকুরিত হয়েছে আমার মাঝে একটি স্বতন্ত্র ভাবনা। সে ভাবনা থেকেই নাটক, সংস্কৃতি চর্চা, সিনেমাঙ্গনে চরিত্রাভিনেতা, নায়ক, নায়িকা বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি আজন্ম আকাঙ্খা যা ছিল সুপ্ত তা হয়ে উঠে উজ্জীবিত।

একদিন স্কুল জীবনের সাথী আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ট বন্ধু জনাব মো. নিজাম উদ্দিন আকন (দুদু) এর সহযোগিতায় আরেক বন্ধু যিনি আজ বেঁচে নেই জনবা গুলজার আহম্মেদ (তৎকালীন সিনেমা জগতের নামকরা পরিচালক কাজী জহির এর ভাগিনা) এর সেটে ‘ময়নামতি’ ছবির স্যুটিং দেখতে গিয়েছিলাম। সেই সঙ্গে এফডিসিতে যাওয়া আসা সিনেমা নির্মাণের কর্মকান্ড ও বিভিন্ন নায়ক নাযিকার অভিনয় দেখা যেন ডালে ভাতে পরিণত হয়। আর তখনই আমার ভাগ্যে জুটে তখনই শাবানা, শবনম, রোজি, কবরী, রাজ্জাক, সুলতানা জামান, অজিম, আনোয়ারা, সুমিতা, খলিল, রহমান ও আনোয়ার হোসেনকে সরাসরি দেখার সৌভাগ্য।

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামতৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আজকের বাংলাদেশে তখন ভারতীয় হিন্দি সিনেমা ও পশ্চিম পাকিস্তানের ঊর্দূ সিনেমার সঙ্গে পাল্লা দিতে বেশ কিছু ঊর্দূ ছবি নির্মিত হয়। যেমন- তালাশ, জাগো হুয়ে সাবেরা, চাকোরি। এ সকল ঊর্দূ ছবি নির্মানে পরিচালক এহতেশামের নাম ছিল তুঙ্গে। কিন’ বাংলা উর্দূ দু’ভাষাতেই চিত্র নির্মানের মহানায়ক চিত্র জগতের কিংবদন্তী ছিলেন জহির রায়হান। সুভাষদত্ত ছিলেন সকল অঙ্গনের এক সুখচারি প্রজাপতি।

অথচ দূর্ভাগ্য আমার এদের দুজনের সঙ্গে কেন যেন সরাসরি দেখা ও কথা হলো না আজও বুক ভার হয়ে উঠে। তবুও আমি বিভিন্নভাবে অনুপ্রাণিত হতে থাকি। আমার মাঝে আমারই অজান্তে দানা বাঁধা শুরু করে অভিনয় শিল্পের নতুন এক প্রতিভা। ভাবতে শুরু করি নাটক সিনেমা বা বাঙালি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে কেন সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবো না। একদিন মনে পড়ে এফডিসির একটি ফ্লোরে শুটিং চলাকালে আমি বাইরের চেয়ারে বসা ছিলাম।

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামহঠাৎ পাশে এসে বসলেন আজকের নায়ক-রাজ রাজ্জাক। তখন তিনি মাত্র উঠতি নায়ক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। পাশে বসা রাজ্জাকের বয়স আমার চেয়ে বছর ৪/৫ বেশি অথচ আমি কেন যেন সেদিন সে মুহুর্তে সংকুচিত হয়ে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে পারিনি। আবেগ আপ্লুুত হয়ে আলিঙ্গন করতে পারিনি, আজ আমাকে সেটি ব্যথিত করে। সেই ক্ষণজন্মা পুরুষ কলকাতা ছেড়ে ছবিতে অভিনয়ের পিপাসা নিয়ে ঢাকার এফডিসিতে এসে নিজের জায়গা করেছেন। আজ তিনি নায়ক-রাজ রাজ্জাক হয়েছেন। সেদিনের সেই মনের কষ্ট আজও আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

ভারত, পাকিস্তান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের ছায়াছবির জগতে যারা সুনামের স্বর্ণশিখরে যেমন- দিলীপ কুমার, অশোক কুমার, রাজকাপুর, উত্তম কুমার, দেব আনন্দ, মোহাম্মদ আলী, ওয়াহিদ মুরাদ, জেবা, ওয়াহিদা রহমান, সাবিহা, নীলু, জেবা, সন্তোষ, বৈজয়ন্তী মালা, আশা পারেখ, সুচিত্রা সেন, মীনাকুমারী, নার্গিস, প্রাণ, সুনীল দত্ত, পাহাড়ী সান্যাল, শর্মিলা ঠাকুর ইনাদের অভিনয় প্রতিভায় আমি প্রভাবিত হতে থাকি এবং খুঁজতে থাকি এ ধরণের জায়গায় যেন একদিন নিজে জায়গা করে নিতে পারি।

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামকিন্তু কেন জানি কিছু পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং পরিবেশ আমাকে বাধা দেয়। পরে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গন হয়ে পড়ে আমার তীর্থক্ষেত্র। শুরু হয় ২১শে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া, বিভিন্ন গণজাগরণমূলক হান ও সংস্কৃতি কর্মকান্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না হয়েও নিজের মনকে জাগরুক করা। জাতীয় সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরণের ছবি ও কার্টুন আঁকা। এভাবেই নতুন পথ, মত ও চিন্তা থেকে উৎসাহিত হয়েছিলো সেদিন এক সুন্দর স্বপ্নীল জীবনের দিশা।

৬৯ এর গণঅভূত্থান, ৭০ এর নির্বাচন, ৭১ এর স্বাধীনতাযুদ্ধ জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৯৭১ এর ৭ তারিখ অক্টোবর রাত ১০.০৩ টায় পাকিস্তানি আর্মির হাতে ধরা পড়ি ‘‘তিন আলবদর হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে’’। নিয়ে যাওয়া হয় ড্রাম ফ্যাক্টরী নাখালপাড়া এমপি হোস্টেল ক্যাম্পে। সেখানেই শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এর ছেলে রুমিকে হত্যা করা হয়। সুবেদার গুল ছিলেন সেখানকার সকল হত্যাযজ্ঞ চালানোর নায়ক। আমার টিম লিডার মুফাক্কার সেপ্টেম্বর ৭১ এ কুমিল্লায় ধরা পড়েন ও শহীদ হন। আমি অমানবিক অত্যাচারের পর আল্লাহর রহমতে ছাড়া পাই। যিনি আমাকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে ছাড়া পেতে সাহায্য করেছিলেন তিনি আজও বেঁচে আছেন। ওরিয়েন্ট ব্রেড ফ্যাক্টরীর মালিক জনাব মাহবুব্‌ উজ জামান।

আজ সত্যি কষ্ট পাই বড় বড় কথা শুনে যারা ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে এসে একটিও গুলি ছুঁড়েননি অথচ মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতে মুখে ফেনা তোলেন। সমস্ত অভিজ্ঞতা থেকেই কল্পনা হতে বাস্তবতার দিকে পরিচ্ছন্ন অঙ্গনে নিজেকে ব্যস্ত বা বিস্তৃত করার বা সম্পৃক্ত করার একটি অভিলাষ জেগে উঠা শুরু করে আমার মাঝে। সুযোগের হাতছানি আসে আজকের এ লেখার বছর দুয়েক আগে প্রডাকশন হাউজ ফ্রি ফল এর সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত অমায়িক ব্যক্ত্বি হাফিজ হাসার এর প্রত্যক্ষ একটু সাড়া জাগানো ইঙ্গিত যা ছিলো এভাবে- ‘‘আপনি কি টিভিসি বা মডেলে কাজ করতে চান? কে ছাড়ে এ সুন্দর প্রস্তাব? এক লাফে হ্যাঁ। অবশ্য এখানে উল্ল্লেখ না করলে খুবই অন্যায় হবে, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে বিভিন্ন মানববন্ধন, সেমিনার ও আলোচনাসভায় নিজেকে উপস্থিতির সুযোগ সৃষ্টি করে। জীবনধর্মী অভিনয়গুলো যেন আত্বস্ত করে ফেলি। আমার ছবি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতেও মাঝে মধ্যে নিজেকে দেখতে পাই। ভাবতে শুরু করি বর্তমানে যুগের সুপার ডুপার শাহরুখ খান, সালমান খান বা আমীর খান বা অনিল কাপুর না হলেও আমার চেহারা যে একেবারে যে মন্দ নয় তা আমাকে সাহস এবং শক্তি যোগায়। ভাগ্য অনুকূলে ছিল আর তাই ইফমা হোসেন আমার ছবি তুলে আমাকের প্রেজেন্ট করে। তার চেয়েও বেশি শক্তি এবং সাহস যোগায় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব্য শংকর শাওজালের তোলা ছবি দেখে। ছবিগুলো আমাকের বিমুগ্ধ করে এবং নিজের মাঝে একটি অনুপ্রেরণার আলোক বিচ্ছুরণ নিজেকে হাফিজ হাসানের প্রস্তাবের প্রতি আরও বেশি দূর্বল করে। ডাক আসে আমার জীবনের প্রথম আর এস আর এম (ষ্টিল রডের এ্যাড) এর টিভিসি তে কাজ করতে হবে।

মূল চরিত্র আমার সঙ্গী একজন নায়িকা বেশ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিনেত্রী। শ্যুটিং স্পট তেজগাঁও এক কোক ফ্যাক্টরী, প্রডাকশন হাউজ ফ্রি ফল, আর পরিচালক ছিলেন মিষ্টি হাসি মাখা মুখে গম্ভীর দৃষ্টিতে ছোটখাটো খুঁতকে নিখুঁতভাবে চিত্রায়িত করতে যিনি পারঙ্গম সেই স্বনামধন্য পরিচালক জনাব কিসলু ভাই। চিত্রগ্রহণে ও লাইট এ যারা ছিলেন তারা বোম্বের স্যুটিং জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তি। সত্যি আমার সৌভাগ্য।

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামকিন্তু দু:খের সঙ্গে বলতে হয় আজ কিস্‌লু ভাইয়ের নির্দেশনায় আমার দাড়িগুলো ফেলে আরও বনেদি, স্মার্ট ও হ্যান্ডসাম ওল্ডম্যান হতে হয়েছিল। টিভিসি যভন অন্তএয়ার হয় তখন আমি টিভি চ্যানেলগুলোতে দেখে নিজে সত্যি আনন্দে আত্নহারা হয়ে পড়ি। অনেকেই আমার স্বাভাবিক অভিনয়ের জন্য প্রশংসা করেন। এই টিভিসি আমার জীবনে নাটক ও ছবি করার যে অভিলাষ তা পূর্ণ করে। আমিও কিসলু ভাই এবং উনার পুরো টিমের কাছে কৃতজ্ঞ। এভাবেই জীবন সায়াহ্নে আমার টিভিসিতে কাজ করা। বহু অভিজ্ঞতার ভান্ডার আজ আমার কাছে ।

হালকা পাতলা কাজ করার সৌভাগ্য হলো- এ্যাপেল বঙ, ছবিয়াল এর হাত ধরে। সত্যি বলতে ছবিয়াল এর মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী ভাই একজন সৃজনশীল এবং গুনী ও জ্ঞানী ব্যক্তি। তার হাস্যোজ্জ্বল মুখের প্রতিটি মুহুর্ত, সারা পৃথিবীর ডিকশনারী এক করেও অর্থ খুঁজে বের করার কঠিন। টিভিসি এর যাদুকর বলা যায়। ফেইস কার্ড প্রোডাকশন হাউজ, আমার জীবনের সোনার কাঠি। পুরো টিম নেয আমার অতি ঘনিষ্ট আত্নীয়।

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামপরিচালক সুমান ও তার ছোট ভাই শোভন জোড়মানিক দু’ভাই সবকিছু অন্তর দৃষ্টি দিয়ে দেখেন। এছাড়া কাজ করতে আনন্দ পান তিনি। খোলা বাতাসে চলতে, দু:খ কষ্ট যন্ত্রনাকে দূরে ঠেলে দিয়ে জীবন ভোগ করতে যাদের দ্বারা পথ খুঁজে পাই তারা হলেন রান আউট, সত্যি রান আউট। কোকাকোলা বিশ্বকাপ, প্রাণ ঘি, এশিয়া ব্যাংক, রবি, স্কয়ার লীপ জেল করার পর শেষে কাজ আমার গ্রামীণফোন। সংস্পর্শ পেলাম গ্রে প্রোডাকশন্স এর ইয়ং, হ্যান্ডসাম, স্মার্ট আমার হূদয়ের মনিকোঠায় স্থান পাওয়া এক ব্যক্তিত্ব্য রাজিব কুন্ডু। যার সঙ্গে হাতে হাত মিলাতেই সুখ, শান্তি ও শক্তির আভাস পেলাম। উঠে গেলাম একেবারে বিলবোর্ডে।

আজ সারা বাংলাদেশের মাঝে আমি বিল বোর্ড ও পোস্টার এর মাধ্যমে সুশোভিত।পরম করুনাময় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর নিকট লক্ষ কোটি শুকরিয়া। এখানে উল্লেখ না করলে অপরাধি হবো- দুই ক্যামেরা ম্যান নেহাল কোরেশী ও গোলাম মাওলা নবীর বখা যারা আমাদের দেশের সম্পদ ও এই জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র। সত্যি প্ল্ল্যাটফর্মে যারা দিন রাত পরিশ্রম করেন সৃজনশীর কাজ উপহার দিতে চেষ্টা করেন, মেধা মনন ও নিষ্ঠা দিয়ে নিজেরা সচেষ্ট থাকেন আর আমাদের মত অনেককেই সহযোগিতা, সহমর্মিতা, সহানুভূতি এবং ভালবাসা ও আন্তরিকতা দিয়ে এগিয়ে চলার পথ দেখান।

এ. কে. এম. সেরাজুল ইসলামআমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের প্রত্যেককে হূদয়সিক্ত ভালবাসার মাঝে বেঁধে রাখতে চাই চিরকাল। যে যাই বলুক পাকিস্তানের সেই আমল থেকে আজকের আমলে এই অঙ্গনটির মাঝে যে পরিধির পরিমাপ বেড়েছে তার অন্তর্নিহিত সুখবর বা সুখ্যাতি অনেকেই উপলব্ধি করেন কিনা তা বিশেষ করে জানানো প্রয়োজন বিধায় আমি জোর গলায় বলব এই অঙ্গনে এখন যে সমস্ত ছেলেমেয়ে ব্যস্ত কর্মকান্ডে লিপ্ত নিজেদেরকে জড়িয়েছেন তারা অত্যন্ত সৃষ্টিশীল চিন্তা ভাবনা, শিক্ষা-দীক্ষায় অনেক উন্নত, তাদের ভাবনার পরিচ্ছন্নতা নির্মল আকাশের মতো পরিশুদ্ধ। সরকার এই মিডিয়ার বলিষ্ট ভূমিকা রাখুক এবং সংশ্ল্লিষ্টদের উৎসাহ ও সহযোগিতা প্রদান করুন। কারণ প্রতিবেশি ভারত এই সকল অঙ্গনকে আয়ের উৎস হিসেবে গণ্য করে। তাই নিরাপত্তা ও মর্যাদা দিতে হবে। কারণ পাকিস্তান আমলে এইক্ষেত্রগুলো ছিল অনীহার পাত্র!

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

এএইচএম নোমান

সত্তর’র ভয়াল ১২ নভেম্বর: ধ্বংস থেকে সৃষ্টি

এএইচএম নোমান :: ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর গভীর রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা ...