Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
{ echo '' ; }
Home / Featured / ‘এই শূণ্যতা আমাকে একা করে দেয়’
Print This Post

‘এই শূণ্যতা আমাকে একা করে দেয়’

“শামসুদ্দিন হীরা’র কবিতা” এই শূণ্যতা আমাকে একা করে দেয়এই শূণ্যতা আমাকে একা করে দেয়

-শামসুদ্দিন হীরা
গৌরিক সন্ধ্যায় পূর্বরাগে জেগে উঠে স্মৃতিকথারা।
ফাগুনের দুপুর কেটে শেষ আলোর ছায়াহীন উষ্ণতায়।
গভীরে তোলপাড় করা টেউ তীরে একা দাড়িয়ে,
সমুদ্রের মতো বিশাল অথচ নিমজ্জিত বিশালতা।
শুধু শূণ্য আর বাতাসের ওড়াউড়ি।
সময়স্তব্ধতায় মন কেমন কেমন করে!
সাগরের মতো, স্বপ্নে দেখা নারীর মতো ছুঁয়ে যায়
ভিজিয়ে যায়।
প্রথম ফাগুনের অমায়িক কিরণরস কামরসে দোল দিয়ে যায় মনে।
সময়-সমুদ্র কানে কানে বলে যায় হৃদয় মিলনে মিলিত হও আত্নিকও বন্ধনে।
ফুল গাঁথুনী কিশোরীর গোলাপকাঁটায় দু ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়তে দেখেছি।
কেউ বলল ক্ষতস্থান;
আমি বলি ভালোবাসা।
কারন সুখের জন্য ক্ষত সুখের লাগিই আঘাত।
স্তব্ধ সময় স্পর্শ করে বৃক্ষদের অনুভূতিতে।
অনেকটা অনঢ় পরাবাস্তব।
কিছু দৃশ্যাবলি লুপ্ত চরাচরে তবে তাও অদৃশ্য।
বাতাসের ইঙ্গিতে বারেবারে কথা বলে ফেরে পাতা’রা।
যে গুঞ্জন আমি শুনতে পাই না পাখি’রা তা শুনে।
এই থমথমে দুপুরে পাখিরা থমকে থাকে,
গৌরবান্বিত আত্মার কোটরে।
যে-পথ এসেছে অনেক পথে, অনেক যে-পথ গেছে এক পথে।
বহুকাল পথ হেঁটে হেঁটে,
অবশেষে পথ যে হারায় পথহীন পথের গভীরে।
বহুকাল রোদে হেঁটে হেঁটে ছায়া তো হারায়, ছায়ার গভীরে।
বহুকাল স্বপ্ন দেখে দেখে চোখ তো হারায় চোখের গভীরে।
গান এসেছে অনেক গানে, কবিতা এসেছে অনেক কবিতায়।
স্বপ্ন সেতো নবধারায় নব রৃপে।
সবই অস্থায়ী ও অন্তরাবাহিত।
এভাবেই একা দেখি রোদের শরীর।
এভাবেই একা দেখি ফাঁদপাতা নীরবতা।
আজ এই দৃশ্য দেখে জানি একদিন,
জীবন তো বয়ে নিয়ে চলে অসম্ভব মেঘেদের পাহাড়ে।
এই সেই নিঃসঙ্গতা যে তোমাকে অসম্ভব করে তোলে!
এই সেই নিঃসঙ্গতা যে আমাকে জীবনের মতো একা করে দেয়।
লেখকের ইমেইল: hirashamsuddin@yahoo.com
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful