রবীন্দ্র জয়ন্তীতে কামাল আহমেদ’র সপ্তম একক অডিও সিডি ‘বেঁধেছি আমার প্রাণ’ প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার: আজ রবির আলোয় উদ্ভাসিত ২৫ বৈশাখ। আজ ৮মে বৃহস্পতিবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৩তম জন্মজয়ন্তী। এ উপলকক্ষে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পি বাংলাদেশ বেতারের (পরিচালক) কামাল আহমেদ’র সপ্তম একক অডিও সিডি ‘বেঁধেছি আমার প্রাণ’ প্রকাশ প্রকাশ পেয়েছে। রবীন্দ্র জয়ন্তীতে তার সাথে আলাপ চারিতায় উঠে এসেছে নানা বিষয়।

কামাল আহমেদ: রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রতি আসত্তি বেশি হলেও মাঝে – মধ্যে অন্যসব গানেও তাঁকে পাই আমরা। পেশগত চাকরি – জীবন এবং নেশাগত সঙ্গীত – জীবন দুই জীবনেই তাঁর গোটা জীবনের মান এবং সম্মান দিয়েছে বাড়িয়ে। ভালো গান বলতে যা বোঝায়, সেই গান গেয়ে যাওয়াই তাঁর আজীবনের ইচ্ছে। কিছু হয়েছে পূরণ, হয়তো কিছু হয়নি পূরণ। সেই স্বপ্ন পূরণের সাধনায় এখনও তাঁর বাস্তবতাময় জীবন- যাপন। গানে আরো বেশি গুনী হয়ে ওঠার নিবিড় চেষ্টায় মেতে আছেন কামাল আহমেদ।

প্রশ্ন:  প্রথমে আপনার জন্ম নেয়ার জায়গাটিকেই জানতে চাই ?

কামাল আহমেদ:  আমার জন্ম পাবনার এক গভীর গ্রামে, যাকে আমরা নিভৃত- পল্লী বলে থাকি। যেখানে আদি- বাংলার রূপ ছিল একদিন। গ্রামের নাম খোঁকড়া।

প্রশ্ন: গ্রামের জীবনটা ছিল কতদিনের ?  

কামাল আহমেদ:  এস.এস,সি পর্যন্ত গ্রামেই কেটেছে।

প্রশ্ন:  তার পর শহরমূখী হলেন কিভাবে ?

কামাল আহমেদ:  ভালো লেখাপড়া করতে চাই। ভালো কলেজে পড়তে হবে, মূলত এই তাগিদেই শহরমূখী হওয়া।

প্রশ্ন:  আপনার ছাত্র জীবনের স্মৃতিচারণে কী বলবেন ?

কামাল আহমেদ:  কাজী নজরুল ইসলামের বলা- কথাটাই আজ আমারও মনের কথা। ‘‘ছাত্র জীবনের মত মধুর জীবন আর নেই, এ – কথাটা বিশেষ করে বোঝা যায় তখন, যখন ছাত্র জীবন অতীত হয়ে যায়, আর তার মধুর ব্যথা – ভরা স্মৃতিটা একদিন হঠাৎ অশান- জীবনযাপনের মাঝে ঝক্‌ ঝক্‌ করে ওঠে’’। প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেছি গ্রামের এক স্কুলে। যে স্কুলে ঠিকমতো বেড়া ছিল না, মেঝেটা ছিল উচুঁ – নিছু। স্কুলে যেতাম কিন্তু স্যান্ডেল থাকতো না পায়ে। পরতাম হাফ প্যান্ট, হাঁটু অবধি ধুলোবালি- যে এভাবেই স্কুল, এভাবেই সারাদিন, এভাই ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত একই স্কুলে। তার পর পাশের গ্রামে এক হাইস্কুলে ক্লাস-এইট পর্যন্ত পড়াশুনো। সেই স্কুলের নামটি ছিলো ‘‘বাঁশের বাদা উচ্চ বিদ্যালয়’’। ঐ স্কুল থেকে আমিই প্রথম ক্লাস এইটে বৃত্তি পাই। অর্জনটা আমাকে পড়াশুনা আরো ভালো করার উৎসাহ হিসেবে কাজ করে। তখন বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার ইচ্ছেটা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমার গ্রাম থেকে দুই গ্রাম দুরের আরেকটা স্কুলে নাইন-টেন পর্যন্ত পড়া। এই স্কুলেই পড়ার সময় একটা সাংস্কৃতিক পরিবেশ পাই। গান-বাজনা করার সুযোগ পাই। তখন আমি হারমোনিয়াম বাজাতে পারতাম না, খালি গলায় গান করতাম। গানের প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে ঈযধসঢ়রড়হ হয়ে গেলাম, আর সেই থেকে প্রতিজ্ঞা করলাম – ভালো লেখাপড়ার পাশাপাশি ভালো গানও আমাকে গাইতে হবে।

প্রশ্ন:  তাহলে এবার সঙ্গীত- জীবনের কথাই একটু শুনি

কামাল আহমেদ: গ্রামে থাকতে খোলা মাঠ ছিল আমার গান গাইবার নিরাপদ আশ্রয়। খুব রেডিও শুনতাম, গান শুনেই তা গাইবার চেষ্টা করতাম। পারিবারিক পরিবেশ ছিলো আমার গানের বিরুদ্ধে । ধর্মপ্রাণ বাবা চাইতেন না আমি গান করি। তাই মনে মনে ঠিক করলাম, আমি গ্রাম ছেড়ে শহরে  যাবো এবং সেখানেই গানের চর্চা করবো। ক্লাস- এইটে পাওয়া স্কলারশিপের টাকা দিয়ে বাবার অজানে-ই একটা হারমোনিয়াম কিনলাম। হারমোনিয়ামটা বাসায় না এনে অন্য বাসায় রেখে দিলাম। তার পর আমি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করে একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সঙ্গীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছায়ানটে ভর্তি হই। আর এভাবেই শুরু হয় আমার পদ্ধতিগত সঙ্গীত – জীবনের পথ- চলা।

প্রশ্ন: যে- ছায়ানটে আপনাকে সঙ্গীত বড়ো হওয়ার ছায়া দিল।  সেখানে কাদের সান্নিধ্য আপনার সঙ্গীত-জীবনকে বিকশিত করলো ?

কামাল আহমেদ:  ছিলেন ওয়াহিদুল হক-তুলনাহীন এক শিক্ষক। যেন তাঁর কাছ থেকেই ধীরে ধীরে বরীন্দ্রনাথকে বুঝতে শেখা এবং বরীন্দ্র-ভক্ত হয়ে ওঠা। এ ছাড়াও সনজিদা খাতুন, ইখতিয়ার ওমর এবং সিরাজুস সালেকিনের মতো গুনী-শিল্পীদের সান্নিধ্য পাই। উচ্চাঙ্গ-সঙ্গীতের ক্লাস নিতেন ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ। শাসন এবং স্নেহ দিয়ে কী অসাধারণ যোগ্যতার শেখাতেন তিনি- আজো ভুলতে পারিনি। এত ভলাবাসতেন আর এত স্নেহ করতেন যে, তার পাশে বসলেই ভালো লাগতো।

প্রশ্ন:  আপনার সঙ্গীতময় শিক্ষাজীবন চাকরির মূখ দেখলো কেমন করে ?

কামাল আহমেদ:  শিক্ষাজীবনে রেডিও-র সঙ্গেই আমার প্রথম প্রেম।পড়ার টেবিলে বইয়ের পাশে থাকতো রেডিও। কখনো পড়তে পড়তে, কখনো বা পড়ার ফাঁকেই রেডিও শোনা। আর তখন থেকেই একটা প্রশ্ন আমাকে উত্তাল করতো, যদি রেডিও-তে একটা চাকরি পেতাম। অনার্স শেষে বি.সি.এস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং সেখানে আমার পছন্দের তালিকার প্রথমেই ছিলো Information – কারণ আমি তখন ভেবেছিলাম রেডিও বা টেলিভিশনে আমার মেধা-মনন এবং চাওয়া-পাওয়ার মিলন ঘটাতে পারবো অনায়াসেই। যদিও বর্তমানে টেলিভিশনে ক্যাডার সিস্টেমটা সেই, তবু ডেপুটিশনে আমি বেশকিছুদিন টেলিভিশনে কাজ করেছি।

প্রশ্ন:  গানের সুন্দরকে সঙ্গে নিয়ে আপনি সাধনা করে চলেছেন, বিশুদ্ধ গান আপনাকে টানে এবং আপনার মনে ভালোলাগার জোয়ার আনে এবং তার প্রকাশকেও আমরা পেয়েছিসেই প্রকাশনার কথাই এবার শুনতে চাই

কামাল আহমেদ:  এক-এক করে বলি তাহলে । কামাল আহমেদ    : ০১. সাদা মেঘের ভেলা (রবীন্দ্রসঙ্গীত) ০২. নানা রঙের দিনগুলি (রবীন্দ্রসঙ্গীত) ০৩. পথ চাওয়াতেই আনন্দ (রবীন্দ্রসঙ্গীত) ০৪. ফাল্গুনের দিনে (রবীন্দ্রসঙ্গীত) ০৫. গোধূলি ( হারানো দিনের গান) A Tribute to Kishor Kumar   ০৬. কান পেতে রই (রবীন্দ্রসঙ্গীত) এবং সপ্তম যে রবীন্দ্রসঙ্গীতের এ্যালবামটি সিডি আকারে প্রকাশ পেতে চলেছে নাম তার ‘বেঁধেছি আমার প্রাণ’

প্রশ্ন:  সব শিল্পীরাই  সব রকম গান গাইতে পারেন নারবীন্দ্রসঙ্গীতের বাইরেও আপনি অন্য গান গেয়ে চলেছেনএকজন শিল্পী কীভাবে এই বাড়তি যোগ্যতাটুকু অর্জন করতে পারেন?

কামাল আহমেদ:  আমি মনে করি, যে কোনো কাজের ভালো ফলের জন্য দরকার ভালোবাসা। ভালোবাসার শক্তি দিয়ে সফলতাকে পাওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে শিখতে হবে, জানতে হবে এবং করতে হবে সাধনা।

প্রশ্ন:  এ দেশে আপনার গানের উপস্থাপন করেন, কোথায়, কীভাবে, কখন ?

কামাল আহমেদ:  ছাত্রজীবনে এবং চাকুরীজীবনে অনেকবারই গান গাইতে মঞ্চে ওঠা । পেশাগত জীবনে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল সব অঞ্চলেই পেয়েছি গান। বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ  টেলিভিশন ছাড়াও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে গুলোতেও অনেকবার গান গেয়েছি।

প্রশ্ন: দেশের বাইরে সঙ্গীত পরিবেশন ?

কামাল আহমেদ:  শ্রীলঙ্খা এবং ভারতের একাধিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত-পরিবেশন করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের (ডাকসু) প্রতিনিধি হয়ে ভারতের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও  কলকাতার অন্য একটি মিলনায়তনেও গান গাইবার সুযোগ পেয়েছি ।

প্রশ্ন: দেশ ছেড়ে বিদেশে যাওয়া ?

কামাল আহমেদ:  সরকারি কাজে দায়িত্ব পালনে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিনিধি হিসেবে নেপাল। এর আগে ২০১২ সালে ক্রিকেট ব্রডকাস্টিং টিমের দলনেতা হিসেবে জিম্বাব্যুয়ে এবং ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেট ব্রডকাস্টিং টিমের দলনেতা হিসেবে শ্রীলঙ্গা সফর করি । এ ছাড়াও ভারত এবং দুবাই ভ্রমণ ও করেছি আমি।

প্রশ্ন:  কর্মব্যস-তার মাঝে সঙ্গীত-সাধনা কীভাবে চলছে?

কামাল আহমেদ: আগেই বলেছি ভালবাসা থাকলে সবকিছুই সম্ভব। এই ভালোবাসার জন্য ৮ম এডওয়ার্ড বৃটিশ সিংহাসন পর্যন্ত ত্যাগ করেছিলেন। ভালবাসা থাকলে সঙ্গীত-সাধনার সময় ঠিকই বের করা সম্ভব। এই যেমন আমি সারাদিন অফিস শেষে বাসায় ফিরে রাতে এবং অফিসে আসার আগে সকালে ঘন্টাখানেক সময় সঙ্গীত-সাধনায় বসে যাই।

প্রশ্ন: রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রিয় শিল্পীর তালিকায় কারা কারা আছেন?

কামাল আহমেদ:  প্রশ্নটা সহজ কিন্তু উত্তর দেয়াটা আমার জন্য বেশ কঠিন। তবুও বলবো সুবিনয় রায়, চিম্বয় চট্যপাধ্যায়, সাগর সেন, দেবব্রত বিশ্বাস, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা – এঁদের গাওয়া গান মনকে জয় করে আছে। এ ছাড়া আরো অনেকেই আমার মনের ভেতরে গেঁথে আছেন-যাঁদের নাম বলা হয়ে উঠলো না এই মহুর্তে ।

প্রশ্ন:  অন্য কী গানে, কাঁদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে ?

কামাল আহমেদ:  আধুনিক গান গাইতে গিয়ে এদেশের স্বনামধন্য সুরকার শেখ সাদী খান, আলী হোসেন এবং আজাদ রহমান, বাসু, লাকী আখন্দ ছাড়াও প্রথম সারির বেশ ক’জন সুরকারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে আমার।

প্রশ্ন: আমাদের বর্তমান-প্রজন্ম গানের সুন্দর অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, ওদের ভালোগানে আচ্ছন্ন করতে কী জাতীয় পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?

কামাল আহমেদ:  সত্যিই তো, আমাদের এই প্রজন্ম ব্যান্ড সঙ্গীত শুনছে যে ভাবে, সে ভাবে নজরুল সঙ্গীত, রবীন্দ্রসঙ্গীত কিংবা মান্নাদে, হেমন- মুখ্যেপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, লতা মুলেশকারের গাওয়া  ভালো অনেক গানই শুনছে না। দোষ ওদের নয়। এর জন্য আমরা অভিভাবকেরা বাড়িতে বিশুদ্ধ গান শোনার অভ্যেস করতে পারি। ভালো বাংলা গানকে ওদের কানে পৌঁছে দেয়া খুব দরকার। ওরা ব্যান্ডের গায়কদের মুখে শচীনদের গানশুলে ভেবে নিচ্ছে, এটা ব্যান্ডেরই কোনো গান – ব্যাপারটা সত্যিই দুঃখজনক।

প্রশ্ন:  বেসকারি এম.এম. রেডিও চ্যানেল গুলো গীতিকার, সুরকার এবং শিল্পীর নাম পর্যন্ত বলে নাএতে আপনার কী বলার আছে ?

কামাল আহমেদ: একটা নীতিমালা থাকা উচিত। মূলকে অস্কীকার করে গাছের ফল-ফুলকে ভাবা যায় না। ‘বধুয়া আমার চোখে জল এনেছে’-গানটি শ্রীকান- আচার্য গেয়েছেন। কিন্তু মূল গানের গীতিকা, সুরকার ও শিল্পী জটিলেশ্বর  মুখ্যোপাধ্যায় – এ প্রজন্মেও অনেকেই জানে না বলে ওরা ভেবে নিচ্ছে এটি  শ্রীকান- আচার্যেরই গান। এ ক্ষেত্রে গানটি উপস্থাপনায় সক তথ্যই জানিয়ে দেয়া উচিত হবে।

প্রশ্ন: আমাদের অনেক শিল্পীই গান গাইতে গিয়ে শ্রোতাদেরকে উত্তোজিত করে তোলেনএ প্রসঙ্গে কী বলবেন ?

কামাল আহমেদ:  এমনটি আমিও অনেকবার দেখেছি। গানের মাঝে শিল্পীও এমন অনাকাঙ্খিত শব্দ বা অঙ্গভঙ্গী করেন, যাতে গানের অনুকুল পরিবেশ প্রতিকুল  হয়ে উঠে। আমাদের মনে রাখা  দরকার গানের জায়গা হলো কানে, গানের জায়গা হলো প্রাণে। গানটা শোনাতে হবে, গানে দেখাবার কিছু নেই।

প্রশ্ন: গান যখন প্রাণ আপনার, তখন গানকে নিয়ে আপনার স্বপ্ন-দেখার পৃথিবীটা কেমন ?

কামাল আহমেদ:  গান নিয়ে আছি এবং গান নিয়েই থাকবো, যতদিন বাঁচি। বাঙালি-সংস্কৃতিকে নিয়ে যে সব সংগঠন কাজ করে, তাদের সঙ্গে কর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই। চাকরি-জীবন শেষে গান প্রকাশনা কেন্দ্রিক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবার ইচ্ছে-যার মাধ্যমে ভালো-গানের প্রচার-প্রসার ঘটানো সম্ভব হবে। আমার গানের হাতে খড়ি যাঁর কাছে সেই শ্রদ্ধেয় ওয়াহিদুল হক প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন পরিষদ। এর সঙ্গে আজীবন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যেতে চাই। গানের হাত ধরে সামনে এগিয়ে যেতে চাই এবং মানুষের মনের অনুভবের জায়গা জুড়ে থাকতে চাই।

প্রশ্ন:  আপনার সঙ্গীতময় জীবনের সফলতা কামনা করি। ।

কামাল আহমেদ:  আমিও কামনা করি ভালো গানের শ্রোতা সমর্থন। ভালো গানের ভেতরের যে-জ্ঞান থাকে, সেই জ্ঞান সবার প্রাণ দখল করুক, সফল করুক আমাদের গানের স্বপ্ন। আমার জন্যে চাই সবার প্রাণের শুভকামনা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

‘রঙিন পাতা’য় সেলিম চৌধুরী ও রিজভী

‘রঙিন পাতা’য় সেলিম চৌধুরী ও রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার :: দুই দশক আগে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যদি’-তে ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর ...