Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
{ echo '' ; }
Home / টপ নিউজ / ব্রিজ না থাকায় ২০ গ্রামের মানুষের দূর্ভোগ
Print This Post

ব্রিজ না থাকায় ২০ গ্রামের মানুষের দূর্ভোগ

ব্রিজ না থাকায় ২০ গ্রামের মানুষের দূর্ভোগমহানন্দ অধিকারী মিন্টু, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:: খুলনার পাইকগাছায় গড়ইখালী ঘোষখালী (বদ্ধ) নদীতে পারাপারে ব্রিজ না থাকায় ২০ গ্রামের মানুষ অবর্ণীয় দূর্ভোগ পৌয়াছে। নদীর ৫টি স্থানে যাত্রীদের বৈঠা ছাড়াই নৌকায় চড়ে রশি টেনে পার হতে হয়। এভাবেই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে। নদীতে কোনো ব্রিজ না থাকায় সীমান্তবর্তী কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ অবর্ণনীয় দূর্ভোগের মধ্যে যাতায়াত করতে হয়।

উল্লেখ্য, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রত্যন্ত ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে গড়ইখালী অন্যতম। সুন্দরবন ও কয়রা উপজেলার সীমান্তেই ইউনিয়নটির অবস্থান। এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা গত কয়েক বছরের ব্যবধানে কিছুটা উন্নত হলেও অনুন্নত রয়ে গেছে অভ্যন্তরিন যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বিশেষ করে ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে রয়েছে প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ঘোষখালী (বদ্ধ) নদী। নদীর দু’পারের লোকজনের পারাপারে একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা। পারাপারের জন্য ৫টি স্থানে পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে। যার মধ্যে শান্তা, ফকিরাবাদ, কুমখালী, মসজিদ খেয়াঘাট, কুমখালী হুগলার চক, কলেজ খেয়াঘাট, হুগলার চক কুমখালী, সন্যাসীর খেয়াঘাট, আমিরপুর বাইনবাড়িয়া, ক্যাম্প খেয়াঘাট ও কাঁঠালতলা খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়। তবে বৈঠা ছাড়া নৌকায় পারাপার করা হয়। নদীর দু’ধারে রশি টানা আর নৌকায় চড়ে রশি ধরেই পার হতে হয়। এভাবে পারাপারে চরম দূর্ভোগের রয়েছেন এলাকাবাসী।

বিশেষ করে নদীর উত্তর পাশে রয়েছে শহীদ আয়ুব ও মুছা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ। এখানে রয়েছে সমাপনী, জেএসসি, এসএসসি, ও এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র। ফলে পার্শ্ববর্তী কয়রা উপজেলার সাধারন মানুষ সহ অসংখ্য শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীকে নদী পার হয়ে স্কুল, কলেজ ও দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়।

কয়রার হড্ডা গ্রামের কলেজ ছাত্রী ঝুমা মন্ডল জানান, নদী পারাপারে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন কলেজে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় নৌকা থেকে পড়ে যাওয়া সহ যাত্রী বেশী হলে নৌকা তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ব্রিজ হলে আমাদের মত শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াতে দূর্ভোগ পোহাতে হতো না।

কুমখালী গ্রামের রমেশচন্দ্র মন্ডল জানান, বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ একাধিকবার মাপামাপি ও সমীক্ষা করেছেন। কিন্তু ব্রিজ করার কোনো লক্ষণ আজ ও পর্যন্ত চোখে পড়েনি। নদীর উপর কমপক্ষে ২/৩ টি ব্রিজ নির্মিত হলে এলাকাবাসীর দূর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস।

এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ও কুমখালী গ্রামের কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল জানান, মানুষের দূর্ভোগ কমাতে ইতি মধ্যে নদীর কলেজ খেয়াঘাট ও ক্যাম্প খেয়াঘাট এলাকায় দু’টি ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে স্থানীয় সরকার বিভাগের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি চলতি অর্থবছরে নূন্যতম ১টি ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful