নির্বাচন – সন্ত্রাস – সমঝোতা

বাংলাদেশ ১০ম (দশম) সংসদ নির্বাচনঃ ৫ই জানুয়ারী, ২০১৪ইং, জাতীয় ভাবে সফল হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ভাবে গৃহিত হয়েছে!!  সন্ত্রাসরত দল গুলিরঃ সকল সন্ত্রাসী আক্রমন এবং মিডিয়ার কল্যাণে, ব্যাপক জন – আতঙ্ক সৃষ্টি সত্বেও , নির্বাচন বিরোধীদের সকল প্রচেষ্টাকেঃ বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করে, বিশেষতঃ তরুণ এবং নারী ভোটার গন, বিপুল সংখ্যায় ভোট প্রদান করেঃ বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক ধারাকে, দৃঢ় ভিত্তির উপর স্থাপন করেছেন !

কোন সন্ত্রাসী দলের কৃপা নয় এবং তাদের অনুরক্ত ফটো সাংবাদিক, দৈনিক এবং টক – শো’র বাক-যোদ্ধারও নয়ঃ বাংলাদেশের সন্ত্রাস বিরোধী এবং গনতন্ত্রে বিশ্বাসীঃ দুঃসাহসী ভোটারবৃন্দ, এই সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করছেন ।

তারা পূর্ণ মেয়াদে কার্যক্রম পরিচালনার জন্যঃ সরকার গঠনের লক্ষ্যেই, তাদের মিলিয়ান ডলার মূল্যের প্রতিটি ভোট” প্রদান করেছেন । যারা দলীয় প্রার্থী দিয়ে, এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে নাই → নির্বাচন বাতিলের দাবী করারঃ সকল নৈতিক ও গনতান্ত্রিক অধিকার থেকেঃ আইনসম্মত ভাবেই, তারা নিজেদেরকে বঞ্চিত করেছেন !

তাদের বাজখাই কণ্ঠের, সুপারিশ কারীগনের মধ্যে অনেকে, সুচতুরতার সাথে, সুললিত কন্ঠেঃ অন্তঃবত্তীকালীন নির্বাচনের আবেদন, পেশ করতে শুরু করেছেনঃ বিভিন্ন বচনে → মাননীয়া রাষ্ট্র প্রধানকে !

এই সন্ত্রাসী জোটের, নির্বাচন কালীন সন্ত্রাসের কারনেঃ ১৫৩ (একশত তিপান্ন) আসন, প্রতিদন্ধি প্রার্থী শূন্যতায়ঃ ভোটার বিহিন, যে নির্বাচন সংঘটিত হয়েছেঃ বিধিবিধান আধুনিকায়ন সাপেক্ষ্যে → ওই   সকল ভোটারের “ভোট প্রদানের আকাঙ্ক্ষা পূরনে ও অধিকার বাস্তবায়নে” মধ্যবর্তীকালীন নির্বাচন, অনুষ্ঠিত হতে পারে ! সেই নির্বাচনঃ ১৫৩ (একশত তিপান্ন) আসনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে !

এমন নির্বাচনকে ১০ম (দশম) সংসদের, অন্তবর্তীকালীন “গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থা সংস্কার”, বাস্তবায়ন/ নির্বাচন হিসেবে বর্ণনা করা যাবে ।

সংবিধানে, “ভোটারের – অধিকারকে সীমিত করা” না হলেঃ এমন ভোটারকৃত নব নির্বাচিত →সংসদগন, পূর্ণমেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবেন । অর্থাৎ, ১১ (এগার)তম সংসদেওঃ নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত, তাহাদের কার্যকাল অব্যাহত থাকবে ।

গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থা অচল করে দিতে, পরিকল্পিত ভাবে যারা সন্ত্রাস করেছেঃ তাঁদের সাথে সমঝোতায় উপনীত হতে চাইলেঃ অদ্যাবধি (১২৩ + ৩০) = ১৫৩ বাংলাদেশীর লাশ এবং শত – সহস্র হতাহত বাংলাদেশীর রক্তকেঃ পদদলিত করে →  “সন্ত্রাস ও অপরাধ মার্জনা, আইন প্রণয়ন” সাপেক্ষ্যেঃ নিন্ম শর্ত পূরণ পূর্বক, সমঝোতা করা চলবে →

১ । হত্যার অপরাধে, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তঃ সকল অপরাধীকে মুক্ত করে দিতে হবে ।

২ । হত্যা/ ডাকাতি ইত্যাদী অপরাধেঃ দণ্ড প্রাপ্ত সকল কয়েদীকেঃ কারা মুক্ত করে দিতে হবে ।

৩ । হত্যা/ ডাকাতি/ সন্ত্রাস ইত্যাদী সকল গুরুতর অপরাধের বিচারাধীন মামলাকেঃ সমঝোতায় খারিজ করে দিতে হবে ।

৪ । এবং স্বর্ণ পদক দিতে হবে, সেই সকল দৈনিক এবং গনমাধ্যমকেঃ যারা শকুনের মত দূরদৃষ্টিতে, বিস্তীর্ণ শশ্যের ক্ষেত্রে, শুধু মাত্র ফসলের শীষ কাটা, মেঠো ইদুরকে দেখতে পায় !

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

এএইচএম নোমান

সত্তর’র ভয়াল ১২ নভেম্বর: ধ্বংস থেকে সৃষ্টি

এএইচএম নোমান :: ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর গভীর রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা ...