নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না: তোফায়েল আহমেদ

তোফায়েল আহমেদস্টাফ রিপোর্টার :: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন,  নির্ধারিত সময়ে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন হবে। দেশের সকল দল এ শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে অংশ নেবে। এতে বিএনপিও অংশগ্রহণ করবে। দেশের সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। নির্বাচনকালীন সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

শনিবার রাজধানীর এফডিসি মিলনায়তনে ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি ও এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয়।

তিনি বলেন, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চিয়তা দিয়েছেন। আশা করছি, বিএনপিসহ দেশের সকল রাজনৈতিক দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত জাতীয় সংসদের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন দেশের সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে। সে সময় বিএনপি নেত্রীর দেওয়া ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটামের মধ্যে তিনি বিএনপি নেত্রীকে ফোন করে আলোচনায় অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। বিএনপি নেত্রীর দেওয়া শর্ত যথাসময়ে মানার পরও তারা নির্বাচনে অংশ না নিয়ে ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়। আমরা আশা করছি, গত বারের মতো সিদ্ধান্ত এবার তারা নেবে না। দেশের সংবিধান মোতাবেক বর্তমান সরকারের অধীনে এ নির্বাচন কমিশন আয়োজিত জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেযারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, বর্তমান সরকার দেশে প্রচলিত সংবিধান মোতাবেক যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। অপরদিকে বিএনপিসহ তাদের সহযোগী দলগুলো বলছে, কোনো দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। দেশের মানুষ সকল দলের অংশ গ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। নির্বাচন কমিশনের প্রতি রাজনৈতিক দল ও জনগণের আস্থা থাকা একান্ত প্রয়োজন।

প্রতিযোগিতায় দেশের ৩২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। রানার-আপ হয় বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি।

অনুষ্ঠানে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এম এ সবুর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

saf

নারীকে সম্মানিত স্থানে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছে বর্তমান সরকার: চুমকি

স্টাফ রিপোর্টার :: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ...