দরজার ওপাশে…..(বিশেষ আয়োজন)

চার দশকের ক্যারিয়ার। শুধু দেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যান্ড ‘এলআরবি’র প্রাণভোমরাই নন, নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার জন্যও স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ‘গিটারহিরো’। গতকাল ১৮ অক্টোবর প্রয়াত হয়েছেন এই রক কিংবদন্তি।

আইয়ুব বাচ্চু [১৯৬২—২০১৮]

স্মরণ

মা বলতেন, আমার দুই ছেলে

কুমার বিশ্বজিৎ

চট্টগ্রামের জুবলি রোডে আমরা পাশাপাশি থাকতাম। আমি তখন ক্লাস এইট-নাইনে পড়ি। আমার চেয়ে বয়সে একটু বড়ই হবে বাচ্চু। ১৯৭৭ সালে প্রথম ব্যান্ড ‘রিদম ৭৭’ করি। চট্টগ্রামের হেন জায়গা নেই, যেখানে আমরা বাজাইনি। দুই বছর পর করলাম ‘ফিলিংস’। বাচ্চুও যোগ দেয়। আমরা তখন ইংরেজি ইনস্ট্রুমেন্টালই বেশি করতাম। ‘ফিলিংস’ প্রথম কাজ পায় আগ্রাবাদ হোটেলে। ওখানে বিদেশি অতিথিরাই বেশি থাকত। দীর্ঘদিন এই হোটেলে বাজিয়েছি। সেই সময় থেকেই আসলে বাচ্চু ওয়েস্টার্ন ঘরানার গিটার বাজানো শুরু করে। রাত করে ঘরে ফিরতাম। মা রান্না করে আমাদের খাওয়াতেন। মা বলতেন, আমার দুই ছেলে। মাকে এখনো বাচ্চুর মৃত্যুর খবরটা জানাইনি। মাঝেমধ্যে প্রায়ই ফোন করে ও বলত—দোস্ত, মাসিমাকে দেখতে আসব। আমাদের সম্পর্ক এমন ছিল যে আমরা পরস্পরকে ‘মামা’ বলে ডাকতাম।

আমি ঢাকায় চলে এলে ও তখন ‘সোলস’-এ গিটারবাদক হিসেবে যোগ দেয়। এরপর বাচ্চু ঢাকায় চলে এলো। আমরা তখন একসঙ্গে থাকতাম। এমনকি এক খাটেও ঘুমিয়েছি। এভাবেই তিন-চার বছর কাটিয়েছি। সম্ভবত ১৯৮৫ সালে আমরা একসঙ্গে শেষবার বাজিয়েছিলাম। সেটা ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠান। এরপর বাচ্চু একদিন বলল—দোস্ত, একটা ব্যান্ড করতে চাই। একটা বাসা নিয়ে দে না। আমার বাসার পাশেই একটা বাসা নিয়ে দিলাম। সেটা এতটাই কাছে ছিল যে জানালা দিয়েই কথা বলা যেত। এরপর বাচ্চুর প্রেম, বিয়ে। বিয়ের বাজার সদাই, বরের গার্জিয়ান হিসেবে যাওয়া—সব কিছুই করেছি আমি।

৪০ বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে একসঙ্গে কাজ করলে কত স্মৃতিই না জমা হয়! সংগীতশিল্পী হিসেবে সে এককথায় অসাধারণ। নিজেকে সব সময় আপগ্রেড করতে চাইত। কিছুদিন আগে একটা অনুষ্ঠানে শেষবারের মতো দেখা হয়েছিল। তখন বাচ্চু বলেছিল—দোস্ত, শেষ পর্যন্ত হয়তো আমাদের একজন আরেকজনকেই কাঁধে নিতে হবে। তাই আমাদের সম্পর্কটা আরো নিবিড় হওয়া দরকার।’

 

সকাল থেকে ওর গানই শুনছি

শাফিন আহমেদ

রকগানকে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত রূপ দেওয়ার পেছনে যারা নিরলস শ্রম দিয়েছে, তাদের পথটা সহজ ছিল না। একসময় ‘অপসংস্কৃতি’ আখ্যা দেওয়া এই ব্যান্ড মিউজিক তারকার টানে স্কয়ার হাসপাতালে হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে। এই হলো তার অবদান—দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি। সংগীত ভালোবেসে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে শুধু সে নিজেই প্রতিষ্ঠিত হয়নি, দেশ ও মানুষকেও অনেক কিছু দিয়ে গেছে। আশির দশকের শুরুতে ও যখন সোলসে বাজাত, তখন থেকেই আমাদের পরিচয়। ‘সোলস’ ছেড়ে যখন ‘এলআরবি’র যাত্রা শুরু, তখন বেশ ভালো একটা যোগাযোগ গড়ে ওঠে। তার গিটার বাজানো, গানের প্রতি ঝোঁক দেখেই তাকে ভালোবাসতে শুরু করি। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে পারফরম করেছি। সেই সব শোতে তার পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ হতাম। আজ সকাল থেকে ঘরে বসে ওর গানই শুনছি। ‘সুখের পৃথিবী, সুখের অভিনয়’, ‘হাসতে দেখো’—আমি আসলেই খুব ভারাক্রান্ত। গিটারে ছিল বাচ্চুর অসাধারণ প্রতিভা। তার হাতে কালজয়ী কিছু গানের জন্ম হয়েছে। অনেক মানুষকে ভালোবেসে সে কাছে টানতে পেরেছে।

 

আমাদের মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা ছিল

জেমস

১৯৮০ সালের শুরুর দিকে আমাদের পরিচয়। প্রায় ৪০ বছর একে অপরের সুখে-দুঃখে, মানে-অভিমানে পাশে থেকেছি। একসঙ্গে প্রচুর শো করেছি, দেশ-বিদেশে ঘুরেছি। অকস্মাৎ এভাবে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে যাবেন, মানতেই পারছি না। রকসংগীতে তাঁর অবদান চিরদিন মনে রাখবে এই জাতি। তিনি বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি।

অত্যন্ত উদার মনের মানুষ ছিলেন, রসবোধও প্রচণ্ড। আমাদের সম্পর্কটা আসলে বলে বোঝানো যাবে না। বিভিন্ন সময়ে কারণে-অকারণে একজন আরেকজনের পাশে ছিলাম। কেউ হয়তো জানবেও না আমাদের হৃদয়ে একে অপরের জন্য কতটা জায়গা।

মিডিয়া আমাদের সম্পর্কের বিচার কিভাবে করেছে সেটা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। তবে আমাদের মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা ছিল, গান তৈরির প্রতিযোগিতা—এটা ভালো। ছিল না ব্যক্তিগত জেলাসি। যখনই দেখা হয়েছে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছি। আড্ডায় মেতেছি। এসব টান কিংবা হিডেন সম্পর্কের বিষয়গুলো ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। করতেও চাই না।

আমি এখন বরগুনায়। ঢাকায় থাকলে ছুটে যেতে পারতাম। বরগুনা স্টেডিয়ামে আজ [গতকাল] সন্ধ্যায় একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাইতে হচ্ছে। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আজকের কনসার্টটি উনাকে [আইয়ুব বাচ্চু] ডেডিকেট করে করব। কতটা প্রাণ খুলে গাইতে পারব জানি না।

 

পূজার ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। গাড়িতে বসেই আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করলেন ওপার বাংলার আরেক কিংবদন্তি

 

এ রকম গিটার বাজিয়ে আরেকজন পাওয়া মুশকিল

অঞ্জন দত্ত

খুবই দুঃখজনক সংবাদ। আমার সঙ্গে তো বটেই, আমার ছেলের সঙ্গেও ভালো পরিচয় ছিল। একসঙ্গে প্রচুর গান করেছি কনসার্টে, নাইট ক্লাবেও। বাংলা গানে মাকসুদের পর আইয়ুব বাচ্চুর নামটাই থাকবে। শুধু বাংলা রকগানই নয়, বাংলা গানে এদের অবদান অনেক বেশি। যথেষ্ট ভালো গিটার প্লেয়ার বাচ্চু। এ রকম গিটার বাজিয়ে আরেকজন পাওয়া মুশকিল। গানের গলাও অসাধারণ। যথেষ্ট ভালো ইংরেজি গানও করতে পারত। এ ক্ষতি আসলে অপূরণীয়। এই মুহূর্তে অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। ওর খুব ইচ্ছা ছিল কলকাতা পার্ক স্ট্রিটে রাতের বেলা বাজাবে। নিয়ে গেলাম। প্রায় এক ঘণ্টা ইংরেজি গান করল। কলকাতারই আরেকটি ব্যান্ডের সঙ্গে পারফরম করেছিল। রকিং পারফরম্যান্স ছিল সেটা, দর্শক পুরো মাত! কেউ তো আসলে জানত না ও এত ভালো ইংরেজি গান করে। ব্যক্তিগতভাবেও আমাদের অনেক ভালো সময় কেটেছে। বাচ্চুর সঙ্গে আমার চেয়েও ভালো যোগাযোগ ছিল আমার ছেলে নীলের। প্রায়ই দুজনের কথা হতো। ও তো সকালে খবরটা শুনে রীতিমতো কাঁদছিল। নীল আর আমার দুজনেরই ইচ্ছা ছিল আমাদের ছবিতে ওকে দিয়ে গান করানোর। বাংলাদেশেও অনেকবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমরা পারফরম করেছি। আমার চেয়ে বয়সে তো অনেক ছোট। নিজেরও বয়স হয়ে গেছে, চারপাশের প্রিয় বন্ধুরা একে একে যেতে শুরু করেছে। এ সময়টাতে দুঃখের চেয়ে ভয় হয় বেশি। মনে হয়, আমার পালা এবার এলো বলে।

 

গিটারহিরো

রিদওয়ান আক্রাম

নব্বইয়ের দশকের আগে বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতে ছিল কি-বোর্ডের প্রবল প্রতাপ। গানের মূল সংগীতায়োজনের একটা বড় অংশজুড়েই থাকত কি-বোর্ড। গিটার থাকত, তবে সেটা খুঁজে পেতে হলে অপেক্ষা করতে হতো। আর গিটারের যে লিড অংশটা থাকত, তার ব্যাপ্তিও হতো কম। সেই জায়গা থেকে উত্তরণের পথটি দেখিয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চুর মতো গিটারবাদকরা। গিটার শেখার জন্য আলাদা করে কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না তখন, ছিল না ভিডিও কিংবা ইউটিউব বা ইন্টারনেট। ফলে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হতো একজন গিটারবাদককে। যা ছিল সেই সময়ে অসম্ভব কষ্টসাধ্য এক কাজ। সেই কষ্টসাধ্য কাজটি দীর্ঘ সময় ধরে করে গেছেন আইয়ুুব বাচ্চু। প্রতিটি কনসার্টেই তিনি গিটার দিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতটি বাজাতেন। যাঁরা সেটা শুনেছেন তাঁরা বলতে পারবেন কতটা আবেগ দিয়ে তিনি সেটা লাইভ কনসার্টে বাজাতেন। আর গিটারবাদনের প্রতি তাঁর ভালোবাসাকে কখনো ‘শো-অফ’ বলে মনে হয়নি। নিজের প্যাশনের জায়গা থেকেই সেটা সারা জীবন করে গেছেন আইয়ুব বাচ্চু। গিটারটা তিনি যেভাবে মঞ্চে বাজাতেন, নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে অনেক কিশোরের কাছেই সেটা ছিল স্বপ্নের মতো। আইয়ুব বাচ্চুর মাঝে তারা তখন একজন দেশি ‘গিটারহিরো’কে খুঁজে পেয়েছে। চেয়েছে একজন ‘আইয়ুব বাচ্চু’ হতে। এককথায় বলতে গেলে, গিটারকে সবার কাছে জনপ্রিয় করেছেন এই আইয়ুব বাচ্চুই।

 

ফেসবুক যখন শোক বই

১৬ অক্টোবর, জীবনের শেষ কনসার্টের ফাঁকে

 

‘কনা, আয়, সামনে চলে যা’ বলে ছবিটা তুললেন। পরশুদিন রংপুরে। কাল দুপুরেও আমরা ছিলাম একসঙ্গে। আমরা সব সময়ই আপনাকে ভালোবাসব ‘এবি’। দিলশাদ নাহার কনা সংগীতশিল্পী

 

কখনো চলে গেলে টাইমলাইনজুড়ে টের পাওয়া যায় মানুষটা কতটা বেশি করে ছিল। কখনো কখনো তাই না থাকাটাও হয়ে ওঠে থাকার অনেক বড় স্বাক্ষর। মানুষ হয়তো তাই চলে যায়। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী চলচ্চিত্র নির্মাতা

 

বাংলাদেশের আধুনিক ব্যান্ডসংগীতের সবচেয়ে সফল শিল্পী। তাঁর গিটারবাদনের তুলনা তিনি নিজে। একসঙ্গে অনেক অনুষ্ঠান করেছি। আমার বাঁশির কারণে একটু বেশিই ভালোবাসতেন। অনেক পরিশ্রমী শিল্পী বলেই তিনি এতটা বিনয়ী ছিলেন। কষ্ট তাঁকে ‘নীলকণ্ঠ’ বানিয়েছিল। অনেক দুঃখে গেয়েছেন, ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি।’ এবার আমাদের কষ্ট পাওয়ার পালা। এমন অসময়ে আচমকা চলে যাওয়া, কী করে মেনে নিই? জুয়েল আইচ জাদুশিল্পী

 

আহ্! বাচ্চু ভাই!

আহ্! বাচ্চু ভাই!

আহ্! বাচ্চু ভাই!

বাপ্পা মজুমদার গায়ক-সুরকার

 

‘মনে রেখো তুমি

কত রাত কত দিন

শুনিয়েছি গান আমি

ক্লান্তিবিহীন’

ওপারে ভালো থাকবেন, আইয়ুব বাচ্চু।

বিদ্যা সিনহা মিম অভিনেত্রী

 

‘সবাইকে একা করে চলে যাব অন্ধ ঘরে

এই শহর গাড়ি বাড়ি কিছুই রবে না।’

মাশরাফি বিন মর্তুজা জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক

 

দেখে এলাম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা ‘ব্রাদার’-এর মুখখানি। সাদা কাপড়ে মোড়া মুখখানি যেন মিটিমিটি হাসছে। দুহাতে আদর করলাম। চোখের পানি কপোল গড়িয়েছে। ছবি তুলতে গিয়েও তুললাম না। কী হবে ছবি তুলে! ডিলিট হয়ে যাবে যেকোনো সময়। কিন্তু মনে আঁকা ছবিটা কোনো দিন মুছবে না। ওপারে ভালো থাকবেন, ব্রাদার। আনজাম মাসুদ উপস্থাপক

 

আমাদের শৈশব ও যৌবনের উন্মাদনা আপনি। আমাদের প্রজন্মকে দারুণভাবে উৎসাহিত করেছেন বাংলা গান গাইতে, স্বপ্ন দেখতে, স্বপ্ন ভেঙে গেলে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে। কত শত তরুণ আপনাকে দেখে গিটারিস্ট হয়েছে! কয়েকটা প্রজন্ম আপনার কাছে ঋণী। সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন ওপারে। আপনার আত্মার শান্তি কামনা করছি। বেলাল খান গায়ক-সুরকার

 

আমার শৈশব-কৈশোরে এমন একটি বিকেল ছিল না, যে বিকেলে আপনার ক্যাসেট বাজিয়ে শুনিনি।

আহা! স্বজন হারানোর শোক। রুনা খান অভিনেত্রী

 

এ যুগের আমার প্রিয় শিল্পী আর নেই, এটা বিশ্বাসই করতে পারছি না। তিনি জানতেন আমি তাঁর কত বড় ভক্ত। তিনি বলতেন, ‘ঐন্দ্রিলা কখনোই আমার কনসার্ট মিস করে না।’ আপনার গান ছিল আমাদের কৈশোরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সব সময়ই আপনাকে মিস করব, বাচ্চু আংকেল। ঐন্দ্রিলা আহমেদ অভিনেত্রী

 

আইয়ুব বাচ্চু আর নেই?

যাওয়ার কথা তো আমার।

ও গেল। দুশ্ শালা। ভালো শিল্পী, কী ভালো মানুষ! ধুৎ!

কবির সুমন গায়ক-সুরকার-গীতিকার

 

আইয়ুব বাচ্চু, সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে! স্মরণ করছি, ফিরে দেখছি আমার বাড়িতে আমাদের শেষ সাক্ষাৎকার। অনেক পরিকল্পনা হয়েছিল এর পর। কিছুরই বাস্তবায়ন হলো না। শ্রদ্ধা। রূপম ইসলাম ফসিলস

 

বাচ্চু ভাইয়ের এভাবে হঠাৎ করে চলে যাওয়াটা মেনে নেওয়া কঠিন। বাংলা গান চিরদিন মনে রাখবে এই চমৎকার গুণী মানুষটিকে।

সেই তুমি, আইয়ুব বাচ্চু

অনুপম রায় গায়ক-সুরকার

 

একটু আগেভাগেই আমাদের ছেড়ে গেলেন আইয়ুব বাচ্চু।

প্রবুদ্ধ ব্যানার্জি, সংগীত পরিচালক

 

ওপারে ভালো থাকবেন, বাচ্চু ভাই। আরেকজন বাচ্চু কখনো আসবে না বাংলা গানে।

ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত সংগীত পরিচালক

 

আমাদের সেই দিনগুলোকে রঙিন করার জন্য ধন্যবাদ, বাচ্চু ভাই।

সাহানা বাজপেয়ী গায়িকা

 

সত্যিই খুব কষ্টের সংবাদ। বাংলা সংগীতাঙ্গনে আইয়ুব বাচ্চু স্মরণীয় হয়েই থাকবেন। তাঁর ‘সেই তুমি’ কতবার যে মঞ্চে গেয়েছি! ওপারে ভালো থাকবেন, বাংলা রক কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু।

স্যাভি গায়ক-সুরকার

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

রহিমা আক্তার মৌ

‘জল ও জীবন’

রহিমা আক্তার মৌ :: আমাদের প্রাণপ্রিয় নগরী ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। অপ্রিয় ...