ব্রেকিং নিউজ
Home / এনজিও / ডরপ ও হেলভিটাসের পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন

ডরপ ও হেলভিটাসের পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন

ডরপ ও হেলভিটাসের পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার :: আমাদের গ্রামাঞ্চলের ৮৭ শতাংশ মানুষ উন্নত উৎসের পানি সুবিধার আওতায় রয়েছে। সংবিধানে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা বিধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি এসডিজি অর্জনে পানি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

আজ শনিবার (২১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর শেওড়াপাড়াস্থ বেসরকারী সংস্থা ডরপ এর সভা কক্ষে ‘পানিই জীবন: জীবনের গল্প’ শিরোনামের পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। ডরপ ও হেলভিটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণে বোতলজাত পানির চাহিদা বেড়েছে এবং এ ক্ষাতে সবার বিনিয়োগ বেড়েছে। পানির জন্য দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় মোড়েলগঞ্জ উপজেলাবাসী অবেহেলিত। ভূগর্বস্থ পানির লবণাক্ততার জন্য এখানকার মানুষ পুকুর ও বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল। প্রকাশিত বইটিতে সেখানকার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।

বক্তারা বলেন, সরকারের অর্জনে বেসরকারী সংগঠনগুলোর অবদান রয়েছে। পনি সমস্যা সমাধানে সরকারী বেসরকারী সংগঠনগুলো কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের ১৩টি মন্ত্রণালয় পানি নিয়ে কাজ করে থাকে। স্থানীয় নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণে পিএসএফ রক্ষণাবেক্ষণে নজর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সমাজে সচেতন ও উদ্যোগী সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে।

প্রধান অতিথি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী বক্তারা, স্থানীয় সরকারের নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি এসডিজি লক্ষ্য অর্জনে দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের মাতৃত্বকালীন ভাতা কেন্দ্রীক স্বপ্ন প্যাকেজ কর্মসূচীকে দেশব্যাপী সম্প্রসারণের আহবান জানান।

ডরপ’র চেয়ারম্যান মোঃ আজহার আলী তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী পুস্তিকাটির মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব বেগম হোসনে আরা আক্তার ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহ্‌-ই-আলম বাচ্চু।

ডরপ’ গবেষণা পরিচালক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো: ওয়ালী উল্লাহ, ডরপ’র প্রতিষ্ঠাতা ও গুসি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী এএইচএম নোমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান ও মোহাম্মদ গোলাম মোক্তাদির, বাংলাদেশ ওয়াস এ্যালায়েন্সের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর অলক কুমার মজুমদার, হেলভিটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর উম্মে হাবিবা, হাজী রাজাউল্লাহ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম খান প্রমূখ।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে অবশেষে চুক্তিতে উপনীত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট অন রিটার্ন অব ডিসপ্লেসড পারসন্স ফ্রম রাখাইন স্টেট’ শীর্ষক এ চুক্তি সই করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দফতরের মন্ত্রী খিও তিন্ত সোয়ে। এ চুক্তি স্বাক্ষরের আগে বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বৈঠক করেন। এদিকে চুক্তির শর্ত সম্পর্কে বুধবার রাতে নেইপিদো থেকে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেছিলেন, ‘চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে উভয়পক্ষ কিছুটা ছাড় দিয়েছে। বাংলাদেশের প্রস্তাব ছিল- জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরসহ সব উন্নয়ন সহযোগীর প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মিয়ানমার শেষ পর্যন্ত শুধু ইউএনএইচসিআরকে প্রয়োজনমতো কাজে লাগাবে বলে সম্মত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি সই হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরু হবে। বাংলাদেশ চেয়েছিল কবে নাগাদ প্রত্যাবাসন শেষ হবে তার একটি সময়সীমা। কিন্তু মিয়ানমার এমন সময়সীমা দিতে রাজি হয়নি। তা ছাড়া গত বছরের অক্টোবরের পর আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়েই ফোকাস থাকবে। পরবর্তী সময় সব রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’ জানা গেছে, মিয়ানমার প্রথমে দুই দেশের মধ্যে ১৯৯২ সালের চুক্তির আলোকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার কথা বলেছিল। বাংলাদেশ বলেছে, সেই সময় এবং এখনকার চ্যালেঞ্জ এক নয়। ওই সময় রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পোড়ানো হয়নি। বাংলাদেশ একটি নতুন চুক্তির খসড়া মিয়ানমারের কাছে আগেই দিয়েছিল। অক্টোবরে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দফতরের মন্ত্রী খিও তিন্ত সোয়ে বাংলাদেশ সফরে এলে তার হাতে বাংলাদেশ এ খসড়া চুক্তি তুলে দেয়। ওই চুক্তিতে নতুন হিসেবে ছিল রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অন্তর্ভুক্তি। এ ছাড়া মিয়ানমারের তরফে প্রস্তাব ছিল যে, গত বছরের অক্টোবরের পর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তাদেরই শুধু মিয়ানমার ফেরত নেবে। তবে বাংলাদেশ বলেছে- সব রোহিঙ্গাকেই ফেরত নিতে হবে। উল্লেখ্য, গত আগস্টে রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহীবিরোধী অভিযান শুরুর জেরে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি থেকে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। পুরনো রোহিঙ্গাসহ বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ।

রোহিঙ্গা ফেরতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ :: নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত ...