গুম-নিহত ও আহতদের স্মরণে লক্ষ্মীপুরে বিএনপির আলোচনা ও দোয়া মাহ্‌ফিল

গুম-নিহত ও আহতদের স্মরণে লক্ষ্মীপুরে বিএনপির আলোচনা ও দোয়া মাহ্‌ফিলজহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :: ১২ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরবাসীর জন্য কালো দিবস উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে গুম-নিহত ও আহতদের স্মরণে লক্ষ্মীপুরে আলোচনা ও দোয়া মাহ্‌ফিল করেছে জেলা বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের উত্তর তেমুহনী প্রেস ক্লাব সংলগ্ন মাঠে জেলা বিএনপির আয়োজনে ১২ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর হামলায় আহত ও নিহতদের স্মরণে এই আলোচনা ও দোয়া মাহ্‌ফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ছুট্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবু।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হারুনুর রশিদ ব্যাপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট হাসিবুর রহমান হাসিব, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর নাছির উদ্দিন হাওলাদার, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রফিক উল্যা, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহেল, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কিরণ পাটওয়ারী, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ হোসেন ভূলু, জেলা ছাত্র দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী সামছুর রহমান সবুজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি আবুল হোসেন সোহেল, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি এডভোকেট মোসাদ্দেক হোসেন বাবর, ছাত্রদল নেতা নাদিম মাহমুদ জুয়েল, সোহেল মাহমুদ, বেলায়েত হোসেন, রাশেদুল ইসলাম মিঠুনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলসহ অংঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী।

বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে সরকার দেশে গুম ও হত্যার মতো জঘন্য কাজ করছে। এদেশের মাটিতে একদিন এইসব গুম ও হত্যার বিচার হবে। দমন পিড়নের মাধ্যমে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ঘরে বসিয়ে রাখা যায়না সেটি আজকের আলোচনা সভায় প্রমাণিত।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ চলাকালে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবুর পায়ে গুলি করে তাকে আটক করে র‌্যাব। এর জের ধরে লক্ষ্মীপুর চক বাজারে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে র‌্যাব সদস্যরা। এ সময় যুবদল নেতা ইকবাল মাহমুদ জুয়েল গুলিবিদ্ধ হন।

পরে গুলিবিদ্ধ মূর্মূর্ষ অবস্থায় তাকে র‌্যাব সদস্যরা তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান (৪৫), শিবিরকর্মী শিহাব উদ্দিন (১৫) ও যুবদলকর্মী সুমন (৩৫) নিহত এবং বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। ঘটনার পর এখন পর্যন্ত যুবদল নেতা ইকবাল মাহমুদ জুয়েলের কোন খোঁজ বা তার লাশ পাওয়া যায়নী।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

আইনি পথে খালেদা জিয়ার মুক্তি ভুলে যান: মওদুদ

ষ্টাফ রিপোর্টার :: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ দলের নেতা-কর্মীদের ...