ব্রেকিং নিউজ

কোটা বাতিল হলেও জামাত রাজাকারের সন্তানরা যেন চাকরী না পায়: শাজাহান খান

শাজাহান খানমোনাসিফ ফরাজী সজীব, মাদারীপুর প্রতিনিধি :: নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, সরকারী চাকুরীতে কোটা পদ্ধতি বাতিল হলেও জামাত আর রাজাকারদের সন্তানরা যেন সরকারী চাকরী না পায়। কেননা স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের সন্তান রাজাকারই হয়। তারা সরকারী চাকরী পেয়ে এদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে পারবে না। দেশ বিরোধীদের সন্তানরা সরকারী চাকরী পেলে আমাদের বহুকষ্ট আর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ধুলিস্মাত হয়ে যাবে।এ কারনে মেধাবী হলেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী জামাত রাজাকার আর আলশামসদের সন্তানরা যেন সরকারী চাকরীতে ঢুকতে না পারে এ জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

নৌমন্ত্রী শনিবার বিকেলে মাদারীপুরে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট হশীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের নব-নির্মিত চারতলা ভবন উদ্ধোধনকালে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিতীর বক্তব্যে দিতে গিয়ে একথা বলেন।

শাজাহান খান আরো বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলন জামাতীদের এক গভীর ষড়যন্ত্র। যদি তানা হবে তাহলে কোঠা বিরোধী মিছিলে কিভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে শ্লোগান হয়, কিভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের কটুক্তি করা হয়?

নৌমন্ত্রী বলেন, মূলত কোটা বিরোধী আন্দোলন জামাত রাজাকার আর স্বাধীনতা বিরোধীদের এদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধর চেতনা ধ্বংস করার নীলনক্সা। যদি তাই না হবে তাহলে কিভাবে যে সমস্ত ভাষায় মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে ফেইজবুকে দেয়া হয়েছে তার উদ্দেশ্য হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধুলিস্মাত করে দেওয়া।

তিনি বলেন একটি সহজ সরল শ্লোগানকে সামনে নিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিল করে দিয়েছেন। আমরা যারা মুক্তিযোদ্ধা তারা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বিনা বাক্যে মেনে নিয়েছি। এখন আমাদের একটি দাবী তুলতে হবে, কোন জামাত শিবির রাজাকা, স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী তাদের পরিবারের কেউ মেধাবী হলেও চাকরী পাবেনা। ওরা যদি চাকরী পায় তাহলে আমাদের দেশের স্বাধীনতা নস্যাত করে দিবে।

শাজাহান খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধর চেতনা যারা ধারন করে, যারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে বুকের মাঝে লালন করে’ যারা এদেশের জন্য যুদ্ধ করেছে তাদের সন্তানদের জন্য কোটা নির্ধারন করা হয়েছিল।

টেকেরহাট হশীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সৈয়দা রোকেয়া শাজাহানের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখের, রাজৈর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান খান, উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা সোহানা নাসরিন, উপজেলা আ,লীগের সভাপতি এম এ মোতাওলেব মিয়া, পৌর মেয়র শামীম নেওয়াজ, রাজৈর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাকে কমান্ডার সেকান্দার আরী শেখ প্রমুক।

এ সময় মাদারীপুরের অতিরিক্ত পলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন ভুইয়া, রাজৈর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোশারেফ হোসেন ও রাজৈরের বিভিন্ন ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যে প্রতিবেদন দিল মেডিকেল বোর্ড

ষ্টাফ রিপোর্টার :: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রতিবেদন ...