ব্রেকিং নিউজ

কি করে বুঝবেন আপনার মেজাজ মাত্রাতিরিক্ত

ডেস্ক নিউজঃ নিজে একাকী চিন্তা করে দেখুন, আপনার মেজাজ হয়তো প্রায় সময়ই মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। নিজের মধ্যে এই সমস্যাকে অনুধাবন করতে এখানে ৭টি লক্ষণের কথা বলা হলো।
১. বাক-বিতণ্ডায় লেগে যান : খিটখিটে মেজাজের অন্যতম লক্ষণ ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আপনি অন্যের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। যদি সাধারণ বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্য, বন্ধু, স্বজন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে মেজাজ দেখান তবে সহজেই হতাশায় ভুগতে হবে আপনাকে। রাগ ঝাড়ার অন্য পথ খুঁজে বের করুন। হাঁটতে হাঁটতে বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলোকে সাজিয়ে মাথা ঠাণ্ডা করুন।
২. অন্যের রাস্তা বন্ধ করে দেন : নিজেই যদি মেজাজ গরমের পেরেশানি থেকে মুক্ত হতে পারেন, তবে তা খুবই ভালো এবং স্বাস্থ্যকর। কিন্তু মাঝে মাঝে প্রবোধ পাওয়ার জন্য কাছের মানুষের এগিয়ে এসে শুভবুদ্ধি দেওয়াটাও জরুরি। কিন্তু আপনাকে শান্ত করার জন্য কেউ এগিয়ে এলে আপনি তার আসার পথও যদি বন্ধ করে দেন, তবে বুঝতে হবে মেজাজের পরের অংশ প্রকাশ করছেন। এটা মাথায় রাখবেন যে আপনার মেজাজ বিগড়ে যায় এবং শান্ত হতে অন্যের সাহায্য দরকার হবে।
৩. অন্যদের সমস্যায় ফেলে দেওয়া : অনেক সময় এমন পরিস্থিতি হয় যে নিজের মুড নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে অন্যদেরও বাজে অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে গেছেন এবং কোন কারণে মন খারাপ হয়ে গেলো আপনার যা আচরণে স্পষ্ট হয়ে উঠলো। তখন অন্যদেরও কিন্তু মন নষ্ট হয়ে যাবে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির দায়ভার নিজের ওপর না নিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন।
৪. কটুক্তি করা : অন্যের ওপর মেজাজ খারাপ থাকলে তাকে নিয়ে প্রায়ই কটুক্তি করার স্বভাব আপনার বাজে মুডের পরিচায়ক। এমনকি আপনাকে কেউ সামলাতে আসলে তাকেও বাজে কথা শুনিয়ে দেন। এমন স্বভাব আপনার থাকলে নিজের মেজাজের লাগাম টেনে ধরার কথাটা সব সময় মাথায় রাখতে হবে।
৫. অন্যকে হেয়প্রতিপন্ন করা : এ স্বভাবের জন্য আপনার স্বজনরাও আপনাকে এড়িয়ে চলবে। আপনি চট করে কাউকে হেয় করে কথা বলে ফেলেন। এটি একটি বড় আচরণগত ত্রুটি। এতে নিজের আপনজন বলতে কাউকে খুঁজে পাবেন না। এসব আচরণ প্রকাশের আগে তা দমিয়ে ফেলুন খেয়াল করে।
৬. মজা করতে চান না : দারুণ আড্ডা চলছে বন্ধুদের সঙ্গে। হাসি-ঠাট্টায় সবাই অংশ নিচ্ছেন, কিন্তু আপনি একাই চুপচাপ বসে আছেন। কারণ আপনি তাদের বোঝাতে চাইছেন যে আপনি আপসেট। কিন্তু এমন পরিবেশে কী এসব নিয়ে আলোচনা চলে? তখন বন্ধুরা ভাববেন যে আপনার তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে মোটেও ভালো লাগছে না। তাই তাদের আনন্দে ভাগ বসান। দেখবেন, মন ভালো হয়ে যাবে।
৭. অন্যের নেতিবাচক দিক নিয়ে তামাশা করা : নিজের বাজে মুডের সবচেয়ে খারাপ একটি অংশ এটি। সবার মধ্যেই নেতিবাচক কিছু রয়েছে। তার সেই দিকটি তুলে আপনি তাকে নিয়ে মজা করলে বা টিটকারী দিয়ে কথা বললে, তাতে আপনার ব্যক্তিত্বের অন্ধকার দিকটি প্রকাশ পায়। আপনার মধ্যেও এমন নেতিবাচক বিষয় রয়েছে যা নিয়ে অন্যেরা মজা করতে পারেন। কাজেই এমন অসদাচরণ কেন করবেন? সূত্র : ইন্টারনেট
Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

এ সপ্তাহের ভাগ্য পূর্ভাবাস

সপ্তাহের রাশিফল করিগো বর্ণন। মনোযোগ সহকারে করহে শ্রবণ। মা-বাবা ,ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজন, ...