Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
{ echo '' ; }
Home / Featured / কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কাশফুল
Print This Post

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কাশফুল

কাশফুল

ছবিতে- তাহমিনা শিল্পী

এম শরীফ আহমেদ, ভোলা থেকে:: শরৎ মানেই স্নিগ্ধতা। প্রকৃতিতে শরৎ মানেই নদীর তীরে তীরে কাশফুলের সাদা হাসি। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাশফুল।চলে যাচ্ছে শরৎকাল। শরৎ মানেই কাশফুল, পরিষ্কার নীল আকাশ আর দিগন্তজোড়া সবুজের সমারোহ। এজন্যই শরতকে বলা হয় ‘ঋতুর রানি’।

কাশফুল

ছবিতে- তাহমিনা শিল্পী

শরৎ নিয়ে কবিতা, গান, গল্পের কোন কমতি নেই। সাহিত্যে প্রসঙ্গক্রমে এসেছে শরতের কাশফুল। ভালোবাসা বিনিময়ে কাশফুলের ভূমিকাও কম নয়। গ্রামবাংলার নদীর কূলে, বিলজুড়ে, খালের পাড়ে কাশফুলের ছড়াছড়ি শুধু চোখেই পড়তো না, মনও কেড়ে নিতো পলকে।

ঋতু অনুসারে ভাদ্র-অশ্বিন মাস জুড়ে শরৎকাল। নিকট অতীতেও দেখা গেছে, শরৎকাল এলেই গ্রাম-বাংলার ঝোপ-ঝাড়, রাস্তা-ঘাট ও নদীর দুই ধারসহ আনাচে-কানাচে কাশফুলের মন মাতানো নাচানাচি। কাশবনের ফুলগুলো দোল খেতো বাতাসে। গলাগলি হতো একটার সাথে আর একটার।

নদীর দুই ধারে, জমির আইলে শরৎকালের সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যায় না। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে কাশবন। এখন গ্রাম-বাংলায় বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়টি কাশবন চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত।

হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে প্রহর গোনা শুরু হলো এই শরতে। কৈলাশ ছেড়ে দুর্গতিনাশিনী দুর্গা আসবেন তাদের গৃহে। নদীর পাড়ে কাশফুলের জেগে ওঠার আভাস দেখেই বাতাসে রটে গেছে শরৎ এসেছে, পূজা আসছে।

ভোলা সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, এ কাশবন চাষে তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। আপনা থেকে অথবা বীজ ছিটিয়ে দিলেই কাশবনের সৃষ্টি হয়ে থাকে। কাশবন গরু-মহিষের খাদ্য, গ্রামের বধূরা ঝাঁটা, ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করে থাকেন।আর কৃষকরা ব্যবহার করে ঘরের ছাউনি হিসেবে। কিন্তু আজকাল এ কাশবনের তেমন দেখা  যায় যায় না। আর কোথাও থাকলেও তার রক্ষনাবেক্ষন করা হয় না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful