আওয়ামী লীগের দেশ শাসন: গনতন্ত্র ও জনগনের জন্য অভিশাপ না আশীর্বাদ? (প্রথম পর্ব)

জাহিদ হাসানজাহিদ হাসান :: আওয়ামী লীগকে অনেকেই বলে বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী গনতান্ত্রিক দল, হয়ত প্রাচীনতম দল কথাটা ঠিক, কিন্তু ঐতিহ্যবাহী গনতান্ত্রিক দল কিনা বাংলাদেশের জনগনের কাছে তার কোন প্রমান নাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে আওয়ামী লীগ ছিল তদানিন-ন পাকিস্তানের  অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, পাকিস্তান  ভিত্তিক দল হলেও তখন আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থক ছিল বলতে গেলে সবাই পূর্ব পাকিস্তানের  বাংগালী জনগন। যার প্রমান ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের  জাতীয় নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের  বাংগালী ভোটারদের ভোটে আওয়ামী লীগের সংখ্যাগড়িষ্ঠ আসনে জয়লাভ।

কিন্তু নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগ পুরো পাকিস্তানে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের তুলনায় অধিক সংখ্যক আসনে জয়লাভ করায় আওয়ামী লীগই পাকিস্তানের সরকার গঠনের দাবীদার ছিল। পরবর্তি ইতিহাস সবারই জানা আছে। ১৯৭১ সালে যখন বাংগালীদের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয় তখন শুধু আওয়ামী লীগের লোকজন বা সমর্থকরাই নয় দল মত নির্বিশেষে ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক, রিক্সাচালকসহ সকল শ্রেণী-পেশার সর্বস-রের বাংগালীরা ঐ জনযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল বা অংশগ্রহন করেছিল।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যখন স্বাধীন বাংলাদেশ জন্মলাভ করল তখনকার রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস-বতা ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচন পরবর্তি পূর্ব পাকিস্তানের  রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস-বতা কখনও এক ছিলনা বা এক বলে কারো বিবেচনা করারও কোন সুযোগ ছিলনা। ১৯৭১ সালে কোন দলীয় নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে নয় সকল মানুষের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কাজেই তখন রাজনৈতিক দল হিসেবে কেবল আওয়ামী লীগের স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গঠন করার কোন যৌক্তিকতা বা অপরিহার্যতা ছিলনা। তখনকার বাস্তবতায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী বা সক্রিয় সমর্থক সব দল, সব পেশা ও সব মতের মানুষকে নিয়ে সদ্য স্বাধীন একটা দেশকে গড়ে তোলার জন্য জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটা জাতীয় সরকার গঠন করাই ছিল সবচেয়ে জরুরী, প্রত্যাশিত ও যুক্তিসংগত।

কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামের মূর্তিমান নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের অপ্রতিদ্বন্দ্বি আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে বা কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ জন্মলগ্নেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা একাই দখল করে নেয় এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে সমগ্র বাংগালী জনগনের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পরিবর্তে বাংলাদেশের জন্মের পর থেকেই তাকেও আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা হিসেবে আওয়ামী লীগের মধ্যেই কুক্ষিগত করে রাখার ব্যবস্থ করে, যার ফলে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও শেখ মুজিবকে নিয়ে বাংলাদেশে এখনও বিতর্ক চলছে, একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া স্বতস্ফূর্তভাবে আর কোন দল তাকে জাতির জনক হিসেবে মানতে, সম্মান দিতে বা স্বীকার করতে চায়না।

স্বাধীনতার পর পরই আওয়ামী লীগ এককভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সর্বপ্রথম একটা গনতান্ত্রিক দল নয় বলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আর ঠিক তখন থেকেই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গনতান্ত্রিক রাজনীতির পরিবর্তে ষড়যন্ত্র, প্রতিহিংসা ও সহিংস রাজনীতির সুচনা করে। আওয়ামী লীগের প্রায় ৪ বছরের শাসনামল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অসহনশীল, অগনতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী এবং নির্যাতন ও নিবর্তনমূলক শাসন ব্যবস্থ তথা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের এক নজিরবিহীন কলংকিত অধ্যায় রচনা করে গিয়েছে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র, প্রতিহিংসা, সহিংসতা ও স্বৈরাচারী রাজনীতির শিকার হয়ে মাত্র ৪ বছরের মাথায় ১৯৭১ সালের ১৫ আগষ্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংগালীদের হাতেই নৃশংসভাবে জীবন দিতে হয়েছে।

গনতন্ত্রগনতন্ত্রের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো পরমত সহিষ্ণুতা, অপরের মতামত ও সমালোচনাকে সহ্য বা গ্রহন ও সম্মান করা। কিন্তুআওয়ামী লীগের “রাজনৈতিক আদর্শের” মধ্যে গনতন্ত্রের এই প্রধানতম উপাদান বা বৈশিষ্ট্যের লেশমাত্র নাই বলে বাংলাদেশের জন্মের পর পরই তাদের শাসনামলে তারা বাংলাদেশের জনগনকে তা ভালভাবে বুঝিয়ে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ তথা শাসক দলের কোন সমালোচনা ও বিরোধিতাকে তখন সহ্য করা হতনা বরং রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি (বিভিন্ন বাহিনী) দ্বারা তা কঠোরভাবে দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে। গনতান্ত্রিক মানষিকতা, চর্চা ও আচরন ছিলনা বলেই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তখনই ( বাংলাদেশের সুচনা শাসনামলেই ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শক্তি গড়ে উঠে এবং কোন কোন দল বা সংগঠন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে পরবর্তিতে সশস্ত্র যুদ্ধ বা প্রতিরোধের রাজনীতিও শুরু করেছিল।

বিরোধী দল বা মতের লোকজনকে আটক ও দমন করার জন্য ঐ সময় ( ১৯৭৪ সালে ) বিশেষ ক্ষমতা আইণ প্রনয়ন করা হয়েছিল, যাকে কালো আইণ হিসেবে গন্য করা হয় এবং যার অগ্নিত্ব ও কার্যকারিতা বর্তমান বাংলাদেশেও বলবত আছে। আওয়ামী লীগের ১৯৭২-৭৫ সময়কালীন শাসনামলেই বাংলাদেশে ক্রস-ফায়ার বা বিনা বিচারে মানুষ হত্যা করার সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, আইণ শৃংখলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা ঐ সময় আওয়ামী লীগের বিরোধীতাকারী বিভিন্ন বামপনি’ ও সমাজতান্ত্রিক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল বলে জোরালো অভিযোগ রয়েছে। ঐ সময়েই বাংলাদেশে প্রথম মানুষ গুম হওয়া বা গুম করে দেওয়ার আতংকিত ও জঘন্য রাজনীতি শুরু হয়েছিল।

ছিনতাই, ব্যাংক ডাকাতি, লাগামহীন দূর্নীতি, রাষ্ট্রয়াত্ব কল-কারখানায় বেপরোয়া লুটপাট, ছাত্রলীগের দলীয় কোন্দলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ খুনের ঘটনা এ সবই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে তাদের প্রথম শাসনকালে উপহার দিয়েছিল।

গনতন্ত্রের অন্যতম প্রধান উপাদান বা দেশ শাসনে সাধারন মানুষের মতামত প্রকাশ করার একমাত্র পথ বা সুযোগই হল স্বাধীন ও স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট দেওয়া বা নির্বাচনে অংশগ্রহন করা। কিন্তুস্বাধীনতা পরবর্তি আওয়ামী লীগের দলীয় সরকারের অধিনে ১৯৭৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে ব্যলটবাক্স ছিনতাই, জাল ভোট দেওয়া বা ভোট ডাকাতিসহ নির্বাচনের ফলাফলকে নিজেদের পক্ষে নেওয়ার জন্য এমন কোন অনিয়ম, দূর্নীতি বা আইণ বহির্ভূত কর্মকান্ড অবশিষ্ট ছিলনা যা আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীরা ঐ নির্বাচনে করে নাই।

প্রশাসন, আইণ শৃংখলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশনসহ দেশের সার্বিক শাসন ব্যবস্থকে এমনভাবে ও এমন মাত্রায় দলীয়করন করা হয়েছিল যে সাধারন মানুষের মতামত প্রকাশ করার একমাত্র পথ নির্বাচন নামক প্রক্রিয়াটার গনতান্ত্রিক ও সর্বজনগ্রাহ্য চরিত্রটাও ধ্বংশ করে আওয়ামী লীগ তখন একে মানুষের কাছে কলংকিত ও আগ্রহহীন করে তুলেছিল।

৪০ বছর পর একইভাবে ক্ষমতায় থেকে দলীয় সরকারের অধীনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর জাতীয় নির্বাচন ও এর পর পরই বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও প্রমান করল নির্বাচন নামক গনতন্ত্রের এই অলংকারটাও এখন স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য সম্মানসূচক পদকের ক্র্যাষ্টের সোনার মত পুরোটাই নকল হয়ে গেছে। বৃহত্তম গনতান্ত্রিক দলের দাবীদার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার বা ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নির্বাচনটাকেও একটা অগনতান্ত্রিক ও প্রহসনে রূপ দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ গনতন্ত্রের আর এক প্রধান স-ম্ভ বাক স্বাধীনতাতেও বিশ্বাস করেনা, স্বাধীনতা পরবর্তি তাদের প্রথম শাসনামলেই ভিন্ন মত, সমালোচনা বা প্রতিবাদের ভাষা যাতে কেউ প্রকাশ করতে না পারে সেজন্য কেবল সরকারী মালিকানায় বা নিয়ন্ত্রনে ৪টা সংবাদপত্র খোলা রেখে ঐ সময় দেশের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল। ৪০ বছর পর এখনও ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ সেই স্বৈরাচরী মানষিকতা থেকে সরে আসতে পারেনি।

এখন সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল বা গনমাধ্যম ১৯৭২-৭৫ সময়ের মত নিয়ন্ত্রন করতে না পারলেও সমপ্রচার নীতিমালা, প্রেস কাউন্সিলকে কথিত শক্তিশালী করা ও তথ্য প্রযুক্তি আইণ তৈরী করে বাক স্বাধীনতা বা ভিন্ন মতকে নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করছে। উচ্চ বা নিন্ম আদালতের বিচারকরা ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে বা বিপক্ষে যায় এমন কোন রায় না দিতে অথবা সরকার যা চায় যাতে এমন রায় হয় সেজন্য তাদেরকে নিয়ন্ত্রনে বা চাপে রাখার জন্য ’৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার কথা বলে সংসদের কাছে বিচারকদের অপসারনের ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এটা আওয়ামী লীগের ২০০৯ বা ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারেও ছিলনা। স্বৈরাচারী ও অগনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করার জন্যই শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ একে একে সবার মতামতকে উপেক্ষা করে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করন ও নিয়ন্ত্রনে আনার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

শুধু তাই নয়, গনতান্ত্রিক রাজনীতির অলংকারই হল ভিন্ন মত ও দলের সমন্বয়ে বা সহঅবস্থনে বহমান বহুদলীয় গনতন্ত্র। কিন্তুগনতন্ত্রের নামে আওয়ামী লীগ যে আসলে স্বৈরাচারী বা একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসী সেই আদর্শের ভিত্তিতেই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান চেতনা গনতন্ত্রকে স্বাধীনতার সূচনালগ্নেই কবর দিয়ে দেশে দীর্ঘস্থয়ী স্বৈরশাসন বা এক ব্যক্তির শাসন (একনায়কতন্ত্র ) কায়েম করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী সংবিধান সংশোধন করে ততকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আওয়ামী লীগসহ বাংলাদেশের সকল গনতান্ত্রিক দলকে বিলুপ্ত করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার অদ্ভূত হাতিয়ার বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল।

সৌভাগ্যবশত (আওয়ামী লীগের পুন:জন্মের সুযোগ হওয়ায়) ঐ বছরেই ১৫ আগষ্ট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংখ্যাগড়িষ্ঠ অংশের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একটা সফল সামরিক অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পরিবর্তন বা ততকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একদলীয় শাসন ব্যবস্থ অর্থাৎ বাকশাল বাতিল হয়ে যায় এবং বাংলাদেশে আবারও বহুদলীয় গনতান্ত্রিক রাজনীতির ধারা উম্মুক্ত হয়।

যার সুবাদে আওয়ামী লীগ নামক দলটার আবারও পুন:জন্ম হয় এবং তখন পুন:জন্ম লাভ করেছিল বলেই আজ ৪৩ বছর পর আওয়ামী লীগ তার ৬৫তম জন্মবার্ষিকী পালন করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে গর্ববোধ করার সুযোগ পেয়েছে, তা না হলে আওয়ামী লীগ যেভাবে বাকাশালে বিলীন হয়ে গিয়েছিল যদি ১৯৭৫ সালের পর পুন:জন্ম লাভ না করত তবে আজ আওয়ামী লীগ নামক দলটা শুধু ইতিহাসের একটা কোনায় নিরবে স্মৃতি হয়ে পড়ে থাকত। ৪০ বছর পর এখনও আওয়ামী লীগ বাকশালী মানষিকতায় একা অর্থাৎ এক দল ( আওয়ামী লীগ ) ছাড়া আর যাতে কেউ বাংলাদেশ শাসন করতে না পারে এই ধ্যান-ধারনা ত্যাগ করতে পারছেনা।

এখন ১৯৭২-৭৫ সময়ের মত সব দল বিলুপ করে একদল বাকশাল করা হয়ত সম্ভব নয় কিন্তুতাই বলে আওয়ামী লীগের অগতান্ত্রিক চরিত্রের পরিবর্তন হবে এটাও আশা করা হবে বোকামী। আওয়ামী লীগ এখন বিশেষ করে ৫ জানুয়ারীর বিতর্কিত, অগনতান্ত্রিক ও একতরফা নির্বাচনের পর গায়ের জোরে (রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার কর ) দীর্ঘদিন ক্ষমতা ধরে রাখতে তথা স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ শাসন করতে প্রধান বিরোধিতাকারী ও আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি বি,এন,পিকে আওয়ামী লীগের ভাষায় রাজনৈতিক কৌশল ব্যবহার করে ধ্বংশ বা নি:শেষ করে দেওয়ার এজেন্ডা বাস-বায়ন করতে বদ্ধপরিকর বলেই দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

লেখক: রিয়াদ, সাউদী আরব প্রবাসী।

 

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সংলাপ অর্থবহ হোক

সংলাপ অর্থবহ হোক

মীর আব্দুল আলীম :: দেশের মানুষ শান্তি চায়; রাজনৈতিক বিবাদ চায় না। হরতাল ...