ব্রেকিং নিউজ
Home / টপ নিউজ / আওয়ামী লীগের উন্নয়নগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করতে হবে: মমতাজ বেগম

আওয়ামী লীগের উন্নয়নগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করতে হবে: মমতাজ বেগম

মমতাজ বেগম

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :: মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে ও হচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের উন্নয়নের বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সকালে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মমতাজ আরও বলেন, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে হরিরামপুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া যে সমস্ত এলাকায় বিদ্যুতের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়নি, সেসব এলাকাগুলো সোলার প্যানেলের আওতায় আনা হবে।

হরিরামপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা গোলজার হোসেন বাচ্চুর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড আব্দুস সালমসহ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রাজু আহম্মেদ বুলবুলসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা।

 

সভায় হরিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা গোলজার হোসেন বাচ্চু এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেওয়ান আব্দুর রবের নাম প্রকাশসহ ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে অবশেষে চুক্তিতে উপনীত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট অন রিটার্ন অব ডিসপ্লেসড পারসন্স ফ্রম রাখাইন স্টেট’ শীর্ষক এ চুক্তি সই করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দফতরের মন্ত্রী খিও তিন্ত সোয়ে। এ চুক্তি স্বাক্ষরের আগে বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বৈঠক করেন। এদিকে চুক্তির শর্ত সম্পর্কে বুধবার রাতে নেইপিদো থেকে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেছিলেন, ‘চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে উভয়পক্ষ কিছুটা ছাড় দিয়েছে। বাংলাদেশের প্রস্তাব ছিল- জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরসহ সব উন্নয়ন সহযোগীর প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মিয়ানমার শেষ পর্যন্ত শুধু ইউএনএইচসিআরকে প্রয়োজনমতো কাজে লাগাবে বলে সম্মত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি সই হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরু হবে। বাংলাদেশ চেয়েছিল কবে নাগাদ প্রত্যাবাসন শেষ হবে তার একটি সময়সীমা। কিন্তু মিয়ানমার এমন সময়সীমা দিতে রাজি হয়নি। তা ছাড়া গত বছরের অক্টোবরের পর আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়েই ফোকাস থাকবে। পরবর্তী সময় সব রোহিঙ্গাকে ফেরত নেয়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’ জানা গেছে, মিয়ানমার প্রথমে দুই দেশের মধ্যে ১৯৯২ সালের চুক্তির আলোকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার কথা বলেছিল। বাংলাদেশ বলেছে, সেই সময় এবং এখনকার চ্যালেঞ্জ এক নয়। ওই সময় রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পোড়ানো হয়নি। বাংলাদেশ একটি নতুন চুক্তির খসড়া মিয়ানমারের কাছে আগেই দিয়েছিল। অক্টোবরে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দফতরের মন্ত্রী খিও তিন্ত সোয়ে বাংলাদেশ সফরে এলে তার হাতে বাংলাদেশ এ খসড়া চুক্তি তুলে দেয়। ওই চুক্তিতে নতুন হিসেবে ছিল রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অন্তর্ভুক্তি। এ ছাড়া মিয়ানমারের তরফে প্রস্তাব ছিল যে, গত বছরের অক্টোবরের পর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তাদেরই শুধু মিয়ানমার ফেরত নেবে। তবে বাংলাদেশ বলেছে- সব রোহিঙ্গাকেই ফেরত নিতে হবে। উল্লেখ্য, গত আগস্টে রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহীবিরোধী অভিযান শুরুর জেরে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি থেকে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। পুরনো রোহিঙ্গাসহ বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ।

রোহিঙ্গা ফেরতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ :: নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত ...